Category:

Regarding Advance-Deposit Ratio-Investment-Deposit Ratio. Ref: DOS Circular No.02 dated 12-Apr-2020.

April 12th, 2020 by

Font problem. To be delayed to reproduced.

Source: https://www.bb.org.bd/mediaroom/circulars/dos/apr122020dos2.pdf

Continuation of Uninterrupted Banking and Payment Services in Response to COVID-19. Ref: PSD Circular No. 02 dated 19-Mar-2020.

March 19th, 2020 by

ব্যবস্থাপনা পরিচালক/প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
সকল তফসিলি ব্যাংক
সকল মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস প্রোভাইডার
সকল পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার

COVID-19 উদ্ভুত পরিস্থিতিতে নিরবচ্ছিন্ন ব্যাংকিং ও পরিশোধ সেবা কার্যμম অব্যাহত রাখা প্রসঙ্গে।

বিশ্বব্যাপী Novel Corona Virus Diseases (COVID-19)-এর বিস্তার এবং বাংলাদেশে এর প্রাদুর্ভাব বিষয়ে আপনারা অবগত আছেন। ইতোমধ্যে World Health Organization (WHO) COVID-19-কে বৈশ্বিক মহামারী (Pandemic) হিসেবে ঘোষণা করেছে। আপনারা আরও অবগত রয়েছেন যে COVID-19 অতিদ্রæত ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে সংμমিত হয়। এমতাবস্থায়, রোগ বিস্তার রোধ ও প্রয়োজনে যে কোন উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য সকল পক্ষের অংশগ্রহণে একটি সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ প্রয়োজন।

ইতোমধ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার রোগ বিস্তার প্রতিরোধ ও এ বিষয়ে করণীয় প্রসঙ্গে বিস্তারিত নির্দেশনা প্রদান করেছে এবং ভবিষ্যতে পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুযায়ী আরও কার্যμম গ্রহণ করবে। উদ্ভূত যে কোন পরিস্থিতিতে নিরাপদ ব্যাংকিং ও পরিশোধ সেবা কার্যμম অব্যাহত রাখার বিষয়ে পরবর্তী আদেশ না দেয়া পর্যন্ত নি¤েœাক্ত ব্যবস্থাদি অনুসরণের নির্দেশনা প্রদান করা যাচ্ছে১. ব্যাংক ও সকল ধরনের আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রাহক সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে ওঈঞ-সহ স্ব স্ব Critical Service Management-এর ক্ষেত্রে Key Person চিহ্নিত করে তালিকা তৈরী করবে এবং বিশেষ পরিস্থিতিতে সেবা চালু রাখার জন্য জরুরী ভিত্তিতে Business Continuity Plan (BCP) প্রণয়ন করবে;
২. গ্রাহকগণের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহের জন্য ব্যাংকের প্রতিটি শাখার ক্যাশ কাউন্টার, ATM এবং এজেন্ট ব্যাংকিং-এর এজেন্ট পয়েন্ট ও মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস)- এজেন্ট পয়েন্টসমূহে নগদ অর্থ ও ই-মানি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) সরবরাহের সেবা নিরবচ্ছিন্নভাবে নিশ্চিত করতে হবে এবং লেনদেনের স্থানসমূহ অর্থাৎ ব্যাংক, ATM, POS ও এজেন্ট পয়েন্টসমূহ নিয়মিতভাবে জীবাণুমুক্ত ও তদস্থলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ব্যাংকিং ও পরিশোধ সেবা প্রদানকারী ও গ্রহণকারী সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য বাংলাদেশ সরকারের ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে;
৩. ক) নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ও ঔষধ বিμয়কারী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীগণের স্ব স্ব ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব, এমএফএস হিসাব, এজেন্ট ব্যাংকিং হিসাব ও পিএসপি হিসাবকে ব্যবসায়িক লেনদেনের জন্য ব্যবহার করা যাবে;
পরবর্তী পাতা দ্রষ্টব্য-
খ) শুধুমাত্র নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ও ঔষধ μয়ের ক্ষেত্রে এমএফএস এর ব্যক্তি হতে ব্যক্তি (পি-টু-পি) লেনদেনে (যে কোন চ্যানেলে) কোন চার্জ কর্তন করা যাবে না এবং এ লেনদেনের সর্বোচ্চ মাসিক সীমা ৭৫,০০০/- টাকা হতে ২০০,০০০/- টাকায় উন্নীত করা যাচ্ছে। অন্যান্য সকল লেনদেন সীমা এ বিভাগের ১৯ মে ২০১৯ তারিখের সার্কুলার নম্বর ০১/২০১৯ অনুসারে বহাল থাকবে;
গ) এমএফএস লেনদেনের ক্ষেত্রে দিনে সর্বোচ্চ ১০০০/- টাকার ক্যাশ আউট সম্পূর্ণ চার্জ বিহীন রাখতে হবে;
ঘ) দেশের অভ্যন্তরে শুধুমাত্র নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি এবং ঔষধ μয়ের ক্ষেত্রে ডেবিট ও μেডিট কার্ডের মাধ্যমে লেনদেনের ক্ষেত্রে Merchant Discount Rate (MDR) এবং Interchange Reimbursement Fee (IRF) প্রযোজ্য হবে না এবং এক্ষেত্রে দৈনিক সর্বোচ্চ ১৫,০০০/- টাকা এবং মাসিক সর্বোচ্চ ১,০০,০০০/- টাকার লেনদেন সীমা প্রযোজ্য হবে।
ঙ) Near Field Communication (NFC) সুবিধাযুক্ত কার্ড-এর NFC লেনদেন সীমা ৩০০০/- টাকা হতে ৫০০০/- টাকায় উন্নীত করা হলো। একইসাথে এ মাধ্যমেও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি এবং ঔষধ বিμয়কারী ক্ষুদ্র
ব্যাবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের জন্য Merchant Discount Rate (MDR) এবং Interchange Reimbursement Fee (IRF) প্রযোজ্য হবে না;
৪. সার্বক্ষণিকভাবে ATM, POS, ইন্টারনেট, অ্যাপ ও ইউএসএসডি ভিত্তিক লেনদেন সেবা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে হবে। এ জন্য সকল ব্যাংক, এমএফএস, পিএসপি এবং পিএসও সমূহ স্ব স্ব সিস্টেম অবকাঠামোর উপর সতর্ক নজরদারী রাখবে এবং সিস্টেম ও ডেটাবেইজে সাইবার আμমণের ঝুঁকি মোকাবেলার জন্য ই-মেইল, ফিশিং ই-মেইল, র‌্যানসামওয়্যার আμমণ ইত্যাদি বিষয়ে বিশেষ নজরদারী পরিচালনা করবে; পরিবর্তিত পরিস্থিতি অনুযায়ী সকল অবকাঠামো যথারীতি চালু রাখতে হবে এবং এ সংμান্ত নিরাপত্তা ও সাইবার ঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে;
৫. ক) গ্রাহক, গবৎপযধহঃ ও সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে লেনদেন সংμান্ত প্রতারণা ও স্যোশাল মিডিয়া, ই-মেইল, মোবাইল ফোন-এর মাধ্যমে COVID-19 ভিত্তিক আর্থিক প্রতারণার বিষয়ে বর্তমানে প্রচলিত পদ্ধতির পাশাপাশি ওয়েবসাইটেও গ্রাহককে সতর্ক করতে হবে। এছাড়া ওয়েবসাইটে সকল Merchant এর তালিকা প্রদর্শনের ব্যবস্থা করতে হবে;
খ) ব্যাংক ও পরিশোধ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ অভিযোগ গ্রহণ ও পরামর্শ প্রদানের জন্য ২৪/৭ হটলাইন ও ইন্টারনেট ভিত্তিক গ্রাহক সেবা চালু রাখবে। একইসাথে গ্রাহককে এ সময়ের সম্ভাব্য লেনদেনগত ও স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করার জন্য বিজ্ঞাপন প্রকাশ ও ই-মেইল/এসএমএস প্রেরণ করবে; এবং
গ) ব্যাংক, এমএফএস, পিএসপি, পিএসও এবং অন্যান্য আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের ICT অবকাঠামো, সিস্টেম, ডেটাবেইজ নিরাপত্তা এবং সরকারি স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী গ্রাহক ও নিজ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাকর্মচারীদের COVID-19 সংμান্ত সচেতনতা সৃষ্টি করতে যথাযথ কার্যμম গ্রহণ করবে।
এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

Source: https://www.bb.org.bd/mediaroom/circulars/psd/mar192020psd02.pdf

To restrain from giving banking services to unauthorized institutions that provides payment services as PSP/PSO. Ref: PSD Circular No. 01 dated 05-Mar-2020.

March 5th, 2020 by

প্রধান নির্বাহী
বাংলাদেশে কার্যরত সকল তফসিলি ব্যাংক/ মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) প্রোভাইডর/ পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডর
(PSP)/ পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটর (PSO)

পরিশোধ সেবাদানকারী ও পরিশোধ ব্যবস্থা পরিচালনাকারীদের ন্যায় অননুমোদিত সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহকে ব্যাংকিং সেবা প্রদানে বিরত থাকা প্রসঙ্গে।

বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ এর ৭(এ)ই ধারা অনুসারে দেশের অভ্যন্তরে নিরাপদ পরিশোধ ও নিষ্পত্তি ব্যবস্থার অবকাঠামো গঠন, বিস্তার ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের উপর ন্যস্ত। বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডারের উক্ত ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রণীত বাংলাদেশ পেমেন্ট এন্ড সেটেলমেন্ট সিস্টেম্স রেগুলেশন্স, ২০১৪ এর আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংক পরিশোধ সেবাদানকারী (MFS ও PSP) ও পরিশোধ ব্যবস্থা পরিচালনাকারী (PSO) হিসেবে কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য ব্যাংক ও অব্যাংক প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন/লাইসেন্স প্রদান করে থাকে, যারা বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রত্যক্ষ তদারকি ও নিয়ন্ত্রণাধীনে জনসাধারণকে পরিশোধ সেবা প্রদান করে।

পরিলক্ষিত হচ্ছে যে, কতিপয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংক হতে লাইসেন্স গ্রহণ না করেই PSP ও PSO এর ন্যায় কার্যক্রম চালাচ্ছে, যা আইনসিদ্ধ নয়। অননুমোদিত প্রতিষ্ঠানসমূহের এরূপ কার্যক্রম কোন কারণে বন্ধ হলে কিংবা তাদের গ্রাহকগণ কোনভাবে প্রতারিত বা ক্ষতিগ্রস্থ হলে এতদ্বিষয়ক বৈধ কার্যক্রমের উপর গ্রাহকদের আস্থা নষ্ট হবে। এছাড়া এ ধরণের অননুমোদিত প্রতিষ্ঠানসমূহ ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কৃত্রিম অর্থ সৃষ্টি (money creation) করতঃ পণ্য/সেবা ক্রয় বিক্রয়ের মাধ্যমে মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় বিশৃংখলা সৃষ্টিসহ সামগ্রিক অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। বর্ণিত প্রেক্ষাপটে অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি রোধকল্পে নি¤েœাক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আপনাদেরকে নির্দেশনা প্রদান করা যাচ্ছে ঃ

(১) বাংলাদেশ ব্যাংক হতে লাইসেন্স গ্রহণ ব্যতিরেকে মোবাইল/ইলেকট্রনিক ওয়ালেট, পরিশোধ ব্যবস্থা পরিচালনাকারী বা অন্য কোন পরিশোধ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কাস্টডিয়ান একাউন্ট বা ট্রাস্ট কাম সেটেলমেন্ট একাউন্ট বা অন্য কোনরূপ ব্যাংক একাউন্ট খোলা ও এতদ্সংক্রান্ত লেনদেন পরিচালনা করা বা অন্য কোন ব্যাংকিং সেবা প্রদান হতে বিরত থাকা;

(২) ক্রমিক নং (১) এ বর্ণিত প্রতিষ্ঠানসমূহের পক্ষে পেমেন্ট গেটওয়ে বা মার্চেন্ট এগ্রিগেশন সেবা প্রদান করা হতে বিরত থাকা।

ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ এর ৪৯(ঙ) ধারার অর্পিত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হলো, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

Source: https://www.bb.org.bd/mediaroom/circulars/psd/mar052020psd01.pdf

Displaying Schedule of Charges. Ref: BRPD Circular Letter No. 02 dated 27-Jan-2020.

January 27th, 2020 by

ব্যবস্থাপনা পরিচালক/প্রধান নির্বাহী
বাংলাদেশে কার্যরত সকল তফসিলি ব্যাংক।

শিডিউল অব চার্জেস এর তালিকা প্রদর্শন প্রসঙ্গে।

শিরোনামোক্ত বিষয়ে বিআরপিডি সার্কুলার নং-০৭, তারিখঃ ৩১ অক্টোবর ২০১৯ এর প্রতি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে।

২। বিআরপিডি সার্কুলার নং-১৯/২০০৯ এর ০৩নং μমিকে বর্ণিত নির্দেশনা অনুযায়ী শিডিউল অব চার্জেস এর পূর্ণ তালিকা স্ব স্ব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও শাখাসমূহের দর্শনীয় স্থানে প্রদর্শন এবং ওয়েবসাইটে প্রকাশ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। উক্ত সার্কুলারের ধারাবাহিকতায় ব্যাংকিং খাতে আমানত বৃদ্ধি এবং ক্ষুদ্র আমানতকারীদেরকে ব্যাংকমুখী করার লক্ষ্যে সঞ্চয়ী ও চলতি আমানত হিসাবের বিপরীতে Account Maintenance Fee হ্রাস করে বিআরপিডি সার্কুলার নং-০৭/২০১৯ জারি করা হয়।

৩। এক্ষণে, ব্যাংকের বিদ্যমান গ্রাহকসহ সম্ভাব্য গ্রাহকদের জ্ঞাতার্থে বিআরপিডি সার্কুলার নং-০৭, তারিখঃ ৩১ অক্টোবর ২০১৯ এ বর্ণিত বিভিন্ন হিসাব পরিচালনার জন্য Account Maintenance Fee সংμান্ত তথ্য আপনাদের ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়, সকল শাখা, উপশাখা ও এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেটসমূহের নোটিশ বোর্ডে প্রদর্শন এবং ওয়েবসাইটে প্রকাশ নিশ্চিত করার জন্য পরামর্শ প্রদান করা হলো।

এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হলো।

Source: https://www.bb.org.bd/mediaroom/circulars/brpd/jan272020brpdl02.pdf

Regarding national integrity award guideline. Ref: BRPD Circular Letter No. 29 dated 04-Dec-2019.

December 4th, 2019 by

‘শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান নীতিমালা’ প্রসঙ্গে।

উপর্যুক্ত বিষয়ে ০৮ আগস্ট ২০১৮ তারিখের বিআরপিডি সার্কুলার নং-০৮ এর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে।
২। উক্ত সার্কুলারের মাধ্যমে তফসিলি ব্যাংকসমূহের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের শুদ্ধাচার চর্চার বিকাশ ও স্বীকৃতির জন্য জারিকৃত ‘শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান নীতিমালা’-এর অনুসরণে প্রতি ইংরেজি পঞ্জিকা বর্ষে উপযুক্ত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ‘শুদ্ধাচার পুরস্কার’ প্রদানের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। বর্ণিত নীতিমালার ৫.৬ নং উপঅনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কোন কর্মকর্তা/কর্মচারী যে কোন ইংরেজি পঞ্জিকা বর্ষে একবার শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলে তিনি পরবর্তী ৩(তিন) ইংরেজি পঞ্জিকা বর্ষে পুনরায় পুরস্কার পাওয়ার জন্য বিবেচিত হবেন না।
৩। এক্ষণে, জাতীয় পর্যায়ে প্রতি অর্থবছরে অনুসৃত ‘শুদ্ধাচার পুরস্কার’ প্রদানের নীতিমালার সাথে ব্যাংকিং খাতে অনুসৃত নীতিমালার সামঞ্জস্য বিধানের লক্ষ্যে ইংরেজি পঞ্জিকা বর্ষের পরিবর্তে প্রতি অর্থবছরে ‘শুদ্ধাচার পুরস্কার’ প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এতদ্লক্ষ্যে বর্ণিত সার্কুলারে উল্লিখিত ইংরেজি পঞ্জিকা বর্ষের পরিবর্তে চলতি ২০১৯-২০২০ অর্থবছর হতে প্রতি অর্থবছর বিবেচনায় নিয়ে শুদ্ধাচার চর্চার স্বীকৃতিস্বরূপ ব্যাংকের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ‘শুদ্ধাচার পুরস্কার’ প্রদান করতে হবে। কোন কর্মকর্তা/কর্মচারী যে কোন অর্থবছরে একবার শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলে তিনি পরবর্তী ৩(তিন) অর্থবছরে পুনরায় পুরস্কার পাওয়ার জন্য বিবেচিত হবেন না।

Source: https://www.bb.org.bd/mediaroom/circulars/brpd/dec042019brpdl29.pdf

Master Circular on Schedule of Charges. Ref: BRPD Circular No. 07 dated 31-Oct-2019.

October 31st, 2019 by

Master Circular on Schedule of Charges

শিরোনামোক্ত বিষয়ে ডিসেম্বর ২২, ২০০৯ তারিখের বিআরপিডি সার্কুলার নং-১৯ এবং মে ১৩, ২০১০ তারিখের বিআরপিডি সার্কুলার নং-১৯ এর প্রতি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে।

০২। বিআরপিডি সার্কুলার নং-১৯/২০০৯ এর ০২(১)নং অনুচ্ছেদে শুধুমাত্র হিসাব রক্ষণাবেক্ষণ ফি (Account Maintenance Fee) বাবদ প্রতি ষাণ্মাসিকে সঞ্চয়ী হিসাবে ৩০০/- টাকা এবং চলতি হিসাবে ৫০০/- টাকার অধিক আদায় করা যাবে না মর্মে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছিল। পরবর্তীতে, বিআরপিডি সার্কুলার নং-১৯/২০১০ এর মাধ্যমে সঞ্চয়ী হিসাবের ৫,০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা পর্যন্ত গড় আমানত স্থিতির ক্ষেত্রে কোন Account Maintenance Fee আদায় করা যাবে না এবং ২৫,০০০/- (পঁচিশ হাজার) টাকা পর্যন্ত গড় আমানত স্থিতির ক্ষেত্রে Account Maintenance Fee প্রতি ষাণ্মাসিকে সর্বোচ্চ ১০০/- টাকা নির্ধারণ করা যাবে মর্মে নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল।

০৩। এক্ষণে, ব্যাংকিং খাতে আমানত বৃদ্ধি এবং ক্ষুদ্র আমানতকারীদেরকে ব্যাংকমুখী করার লক্ষ্যে নিম্নবর্ণিত নির্দেশনা প্রদান করা যাচ্ছেঃ

ক) সঞ্চয়ী হিসাবে ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা পর্যন্ত গড় আমানত স্থিতির ক্ষেত্রে Account Maintenance Fee আদায় করা যাবে না;

খ) সঞ্চয়ী হিসাবে প্রতি ষাণ্মাসিকে নিম্নবর্ণিত হারে Account Maintenance Fee আদায় করা যাবেঃ-

(i) ১০,০০০/- টাকার অধিক কিন্তু ২৫,০০০/- টাকা পর্যন্ত গড় আমানত স্থিতির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০/- টাকা;

(ii) ২৫,০০০/- হাজার টাকার অধিক কিন্তু ২.০০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত গড় আমানত স্থিতির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০০/- টাকা;

(iii) ২.০০ লক্ষ টাকার অধিক কিন্তু ১০.০০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত গড় আমানত স্থিতির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫০/- টাকা;

(iv) ১০.০০ লক্ষ টাকার অধিক গড় আমানত স্থিতির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩০০/- টাকা; এবং

গ) চলতি হিসাবে Account Maintenance Fee বাবদ প্রতি ষাণ্মাসিকে সর্বোচ্চ ৩০০/- টাকা আদায় করা যাবে।

০৪। বর্ণিত নির্দেশনা ব্যতীত ডিসেম্বর ২২, ২০০৯ তারিখের বিআরপিডি সার্কুলার নং-১৯ এর অন্যান্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে।

 এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

 ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ (২০১৩ পর্যন্ত সংশোধিত) এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হলো।

Source: https://www.bb.org.bd/mediaroom/circulars/brpd/oct312019brpd07.pdf

Regarding Advance-Deposit Ratio (ADR)/Investment-Deposit Ratio (IDR). Ref: DOS Circular No. 05 dated 17-Sep-2019.

September 17th, 2019 by

Compliance with Advance-Deposit Ratio (ADR)/Investment-Deposit Ratio (IDR). Ref: DOS Circular No. 01 dated 07-Mar-2019.

March 7th, 2019 by

Risk Management Guidelines for banks. Ref: DOS Circular No. 04 dated 08-Oct-2018.

October 8th, 2018 by

Alert for possible cyber attack in Banking system. Ref: PSD Circular Letter No. 01 dated 16-Aug-2018.

August 16th, 2018 by