Refinance Scheme for Pre-Shipment Credit to Mitigate the Crisis due to Novel Coronavirus. Ref: BRPD Circular Letter No. 38 dated 22-Jul-2020.

Website: www.bb.org.bd

ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ
বাংলাদেশ ব্যাংক
প্রধান কার্যালয়
ঢাকা।

বিআরপিডি সার্কুলার লেটার নং- ৩৮ ২২ জুলাই ২০২০
তারিখ: ————–
০৭ শ্রাবণ ১৪২৭

ব্যবস্থাপনা পরিচালক/প্রধান নির্বাহী
বাংলাদেশ কার্যরত সকল তফসিলি ব্যাংক।

প্রিয় মহোদয়,

নভেল করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট সংকট মোকাবেলায় প্রি-শিপমেন্ট ক্রেডিট খাতে পুনঃঅর্থায়ন স্কীম।

শিরোনামোক্ত বিষয়ে ১৩ এপ্রিল, ২০২০ তারিখে জারিকৃত বিআরপিডি সার্কুলার নং- ০৯ এর প্রতি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষন করা যাচ্ছে।

উক্ত সার্কুলারের মাধ্যমে রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহকে প্রি-শিপমেন্ট রপ্তানি ঋণ সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে তাদের রপ্তানি কার্যক্রম অব্যাহত রেখে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও অর্থনীতিতে গতিশীলতা আনয়নের লক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক গঠিত ৫০০০ (পাঁচ হাজার) কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করা হয়। কিন্তু লক্ষ করা গেছে যে উক্ত সার্কুলারে নির্দেশনা অনুযায়ী গ্রাহক পর্যায়ে ঋণ বিতরণ ও পুনঃঅর্থায়ন গ্রহণের ক্ষেত্রে কতিপয় শর্ত পরিপালনে ব্যাংকসমূহ অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছে। এ প্রেক্ষিতে, প্রি-শিপমেন্ট ক্রেডিট পুনঃঅর্থায়ন স্কীম এর আওতায় ঋণ বিতরনের মাধ্যমে কাংখিত অর্থনৈতিক উন্নয়ন অর্জন এবং ব্যাংকসমূহের পরিপালনের সুবিধার্থে বিআরপিডি সার্কুলার নং-০৯/২০২০এর অনুচ্ছেদ নং-৭(ঘ), ১০(ক), ১১, ১২, ও ১৩(ক) নিম্নরুপভাবে প্রতিস্থাপন করা হলোঃ

৭। গ্রাহক পর্যায়ে ঋণ প্রাপ্তির যোগ্যতাঃ
৭(ঘ) কোন রপ্তানিকারক প্রতিষষ্ঠানের রপ্তানিমূল্যের প্রত্যাবাসন [Guidelines  for  Foreign  Exchange Transactions (GFET) এ নির্ধারিত সময় পর্যন্ত] ওভারডিউ থাকলে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের অনুকুলে পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা বিবেচ্য হবে না।

১০। প্রি-শিপমেন্ট ক্রেডিট এর বিপরীতে পুনঃঅর্থায়ন পরিমাণঃ
১০(ক) অংশগ্রহণকারী ব্যাংক প্রতিটি নিশ্চিত রপ্তানি আদেশ/রপ্তানি ঋণপত্রের (Firm  Export  Contract/ Authinticated Export Credit) মূল্য হতে ব্যাক টু ব্যাক ঋণ পত্রের মূল্য, এক্সেসরিজ এর জন্য অর্থায়নকৃত অর্থ এবং এ সংক্রান্ত অন্যান্য অর্থায়নকৃত অর্থ বাদ দিয়ে অবশিষ্ট মূল্যের উপর স্বীয় নীতিমালা অনুযায়ী ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে প্রি-শিপমেন্ট ক্রেডিট প্রদান করবে। তবে, এক্ষেত্রে নিশ্চিত রপ্তানি আদেশ/রপ্তানি ঋণপত্র/রপ্তানি চুক্তিপত্রের সর্বোচ্চ ১০% পর্যন্ত পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা বিবেচ্য হবে।

১১। ঋণের মেয়াদঃ
একজন গ্রাহকরে সর্বোচ্চ ০১ (এক) বছর পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের আওতায় একাধিকবার বিভিন্ন মেয়াদে ঋণ বিতরণ করা যাবে। কোন নির্দিষ্ট গ্রাহককে উক্ত তহবিল হতে ০১ (এক) বছরের বেশি সময়ের জন্য ঋণ সুবিধা প্রদান করা যাবে না। গ্রাহক পর্যায়ে ঋণের মেয়াদ যাই হোক না কেন বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সর্বোচ্চ ১৮০ দিন (ছয় মাস) মেয়াদে অংশগ্রহণকারী ব্যাংককে পুনঃঅর্থায়ন করা হবে য মেয়াদ শেষে সুদসহ এককালীন পরিশোধ যোগ্য হবে।

১২। পুনঃ অর্থায়নের জন্য আবেদন পদ্ধতিঃ
সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক গ্রাহক পর্যায়ে বিতরণকৃত ঋণের প্রয়োজনীয় তথ্য ও কগজপত্রাদিসহ নির্ধারিত ছকে সপ্তাহিক ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট রপ্তানি পণ্য জাহাজীকরণের পরবর্তী সপ্তাহের মধ্যে মহাব্যবস্থাপক, সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্ট, বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রধান কার্যালয় বরাবর পুনঃঅর্থায়নের জন্য আবেদন করবে। আবেদনপত্রের সাথে নি¤েœাক্ত তথ্যাদি সংযুক্ত করতে হবেঃ

. ঋণ বিতরণ সংক্রান্ত সদনপত্র বা মঞ্জুরীপত্র;
. এ খাতে ঋণ বিতরণের সমন্বিত বিবরণী;
. আবেদনকৃত অর্থ নির্ধারিত সুদসহ পরিশোধের বিষয়ে প্রতিশ্রতিপত্র। (ডিপি নোট) ও লেটার অব কনটিনিউটি;
. সংশ্লিষ্ট রপ্তানি আদেশ/রপ্তানি ঋণপত্র/ রপ্তানি চুক্তিপত্রের কপি;
. বিদ্যমান নিয়মানুযায়ী ঋণ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কাগজপত্রাদি বা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক যাচিত যে কোন তথ্য/প্রমাণিক দলিলাদি।

১৩। আদায় ও তদারকীঃ
১৩(ক) পুনঃঅর্থায়ন বাবদ ব্যাংক কর্তৃক গৃহীত ঋণ বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত অংশগ্রহণকারী ব্যাংকের চলতি হিসাবে প্রদানের তারিখ হইতে ১৮০ দিন (ছয় মাস) পর সুদসহ এককালীন কর্তন করা হবে;

এতদ্ব্যতীত, বিআরপিডি সার্কুলার নাং-০৯/২০২০ এর অনুচ্ছেদ নং- ১০(খ) ও ১৩(জ) এতদ্বারা রহিত করা হলো।

এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হলো।

আপনার বিশ্বস্ত,
(মোঃ নজরুল ইসলাম)
মহাব্যবস্থাপক
ফোনঃ ৯৫৩০২৫২

Source: https://www.bb.org.bd/mediaroom/circulars/brpd/jul222020brpdl38.pdf

Related Circulars :
;
;
;


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *