Tk 10,000 Crore Refinance Scheme for CMSME sector to provide working capital facility to the Entrepreneurs. Ref: SMESPD Circular No. 02 dated 26-Apr-2020.

করোনা ভাইরাস (COVID-19)-এর প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ সিএমএসএমই খাতে
চলতি মূলধন ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে পুনঃঅর্থায়ন স্কীম প্রসঙ্গে।

উপর্যুক্ত বিষয়ে এপ্রিল ১৩, ২০২০ তারিখে জারিকৃত এসএমইএসপিডি সার্কুলার নং-০১ এর প্রতি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে।
০২। করোনা ভাইরাস (COVID-19) এর প্রাদুর্ভাবের কারণে বাংলাদেশে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবেলায় ক্ষতিগ্রস্ত কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ/শিল্প (CMSME) সমূহের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত আর্থিক সহায়তা প্যাকেজের আওতায় উক্ত সার্কুলারের মাধ্যমে ২০(বিশ) হাজার কোটি টাকার ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা গ্রহণ/প্রদানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নির্দেশনাসমূহ জারি করা হয়। উক্ত সার্কুলারের নির্দেশনা অনুযায়ী তফসিলি ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত CMSME প্রতিষ্ঠানসমূহকে তাদের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে চলতি মলূ ধন বাবদ ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রদান করবে। এ পর্যায়ে, উক্ত আর্থিক সহায়তা প্যাকেজের আওতায় চলতি মূলধন ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রদানে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের তারল্য প্রবাহ নিশ্চিতকল্পে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ১০(দশ) হাজার কোটি টাকার একটি আবতর্ন শীল পুনঃঅর্থায়ন স্কীম (Revolving Refinance Scheme) গঠন করা হয়েছে। এসএমইএসপিডি সার্কুলার নং-০১/২০২০ এর আওতায় ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ হতে তদ্কর্তৃক বিতরণকতৃ ঋণ/বিনিয়োগ ¯ি’ি তর সর্বোচ্চ ৫০% অর্থ এ স্কীম হতে পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা প্রদান করা হবে। উক্ত স্কীম পরিচালনার ক্ষেত্রে নি¤œবর্ণিত নির্দেশনাসমহূ অনুসরণীয় হবেঃ
১) স্কীমের নামঃ “করোনা ভাইরাস এর সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবেলায় সিএমএসএমই খাতে চলতি মূলধন ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রদানে পুনঃঅর্থায়ন স্কীম”।
২) তহবিলের উৎসঃ বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল।
৩) তহবিলের পরিমাণঃ ১০(দশ) হাজার কোটি টাকা।
৪) মেয়াদঃ ০৩ (তিন) বছর।
৫) সুদ/মুনাফার হারঃ সুদ/মুনাফার হার হবে ৪ (চার) শতাংশ, যা ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে (মার্চ, জনু, সেপ্টেম্বর ও ডিসেম্বর ভিত্তিক) আরোপিত হবে।
৬) ব্যাংক-ওয়ারী তহবিল বরাদ্দঃ এসএমইএসপিডি সার্কলু ার নং-০১/২০২০ এর যাবতীয় নির্দেশনা পরিপালন সাপেক্ষে প্রতিটি ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিতরণকৃত ঋণ/বিনিয়োগ স্থিতির সর্বোচ্চ ৫০% পর্যন্ত অর্থ এ স্কীমের আওতায় পুনঃঅর্থায়ন পাওয়া যাবে। এ স্কিমের আওতায় গৃহীত ঋণ/বিনিয়োগ কোনভাবেই এসএমইএসপিডি সাকুলার নং-০১/২০২০ এর আওতার বাইরে অন্য কোনো খাতে/উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না।
৭) অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতাঃ বাংলাদেশে কার্যরতক) সকল রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান আলোচ্য পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে।
খ) সকল বেসরকারি ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান আলোচ্য পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। তবে, প্রবলেম/রুগ্ন ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পুনঃঅর্থায়নের আবেদন কেইস-টু-কেইস ভিত্তিতে বিবেচনা করা হবে।
৮) ঋণ চুক্তিপত্রঃ আলোচ্য পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা গ্রহণের জন্য আগ্রহী তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে তার বাৎসরিক অনুমোদন যোগ্য চলতি ঋণসীমার জন্য একটি ঋণ চুক্তিপত্র সম্পাদন করতে হবে।বাংলাদেশ ব্যাংক এর সাথে স্বাক্ষরিত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে এসএমইএসপিডি সাকুর্লার নং-০১/২০২০ এর আওতায় সিএমএসএমই খাতে চলতি মূলধন ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রদানকারী ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ এ স্কীমের আওতায় নির্ধারিত সীমার মধ্যে পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। এক্ষেত্রে, পুনঃঅর্থায়নযোগ্য ঋণ/বিনিয়োগ নির্ধারণে সিএমএসএমই অর্থায়ন সংক্রান্ত মাস্টার সার্কলু ার ০২/২০১৯ এর অপরাপর প্রযোজ্য নির্দেশনাবলী বলবৎ থাকবে।
৯) স্কীমের আওতায় আবেদন গ্রহণ ও পুনঃঅর্থায়ন প্রক্রিয়াঃ
ক) এসএমইএসপিডি সার্কুলার নং-০১/২০২০ এর আওতায় ঋণ/বিনিয়োগ বিতরণের পর পরবর্তী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে পূবর্ব র্তী মাসে বিতরণকৃত ঋণ/বিনিয়োগ স্থিতির সর্বোচ্চ ৫০% অর্থ পুনঃঅর্থায়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট আবেদন করা যাবে।
খ) পুনঃঅর্থায়ন প্রাপ্তির লক্ষ্যে অর্থায়নকারী ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান সংযোজনী-ক এবং সংযোজনী-খ অনুযায়ী নির্ধারিত ছকে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি প্রদানপূর্বক মহাব্যবস্থাপক, এসএমই এন্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস্ ডিপার্টমেন্ট বরাবরে আবেদন করবে।
গ) কোনো ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পুনঃঅর্থায়ন ঋণ/বিনিয়োগ সীমার কোন অর্থ পরিশোধিত হওয়ার পর এসএমইএসপিডি সার্কুলার নং-০১/২০২০ এর আওতায় নতুন গ্রহীতাকে ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রদান করা হলে অর্থায়নকারী ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান এ স্কিম হতে পুনরায় পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। এভাবে একটি ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান মোট ০৩(তিন) বছর পর্যন্ত নিজস্ব সীমার মধ্যে পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে।
১০) পুনঃঅর্থায়ন বাবদ গৃহীত ঋণ পরিশোধ/আদায় পদ্ধতিঃ
ক) ঋণ চুক্তিপত্রে উল্লিখিত আদায়সূচী অনুযায়ী সুদ/মুনাফাসহ পুনঃঅর্থায়িত অর্থ নির্ধারিত সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিসে রক্ষিত সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চলতি হিসাব থেকে কর্তন করে নেয়া হবে। এলক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের চলতি হিসাবে পর্যাপ্ত তহবিল সংরক্ষণ করতে হবে।
খ) গ্রাহক পর্যায়ে বিতরণকৃত ঋণে গ্রেস পিরিয়ড প্রদান করা হলে পুনঃঅর্থায়ন প্রদানের ক্ষেত্রেও গ্রেস পিরিয়ড (সর্বোচ্চ ০৩ মাস) প্রদান করা হবে।
গ) কোন কারণে বিতরণকৃত ঋণ/বিনিয়োগ আদায়/সমন্বয় হলে অথবা ১(এক) বছর মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে (যেটি আগে ঘটে) সর্বশেষ ত্রৈমাসিকের সুদসহ ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ছাড়কৃত সমুদয় অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংককে পরিশোধ করতে হবে। অন্যথায়, উক্তরূপে গৃহীত অর্থ পুনঃঅর্থায়নকালে আরোপিত সুদ/মুনাফার হার অপেক্ষা ২% অধিক হারে সুদ/মুনাফাসহ এককালীন আদায়যোগ্য হবে।
১১) তহবিল/স্থিতি অপর্যাপ্ততাঃ সুদ/মনুাফাসহ পুনঃঅর্থায়িত অর্থ আদায়কালে বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের চলতি হিসাবে তহবিল/স্থিতি অপর্যাপ্ততার কারণে সুদ/মুনাফা/কিস্তি আদায় করা সম্ভব না হলে, আদায়যোগ্য অর্থ পুনঃঅর্থায়নকালে আরোপিত সুদ/মুনাফার হার অপেক্ষা ২% অধিক হারে অতিরিক্ত সময়ের সুদ/মুনাফাসহ তহবিল পর্যাপ্ততা সাপেক্ষে আদায় করা হবে।
১২) দলিলাদি তলব ও প্রকল্প পরিদর্শনঃ বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনানুসারে পুনঃঅর্থায়ন মঞ্জুরির পূর্বে বা পরে এতদ্সংক্রান্ত দলিলাদি তলব ও প্রকল্প পরিদর্শন করতে পারবে।
১৩) অন্যান্য নির্দেশাবলীঃ
ক) এ স্কীমের আওতায় পুনঃঅর্থায়নকৃত অর্থ এসএমইএসপিডি সার্কুলার নং-০১/২০২০ এর আওতা বহিভূর্ত অন্য কোন খাতে ব্যবহার করা হলে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সে পরিমাণ অর্থের ওপর নির্ধারিত সুদ/মুনাফা হারের অতিরিক্ত ২% হারে সুদ/মনুাফাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে এককালীন আদায় করা হবে।
খ) এ স্কীমের আওতায় গ্রাহক পর্যায়ে ঋণ/বিনিয়োগ বিতরণের সকল পর্যায়ে এসএমইএসপিডি সার্কুলার নং-০১/২০২০ এ বর্ণিত নির্দেশনাবলী যথাযথভাবে পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে।
গ) গ্রাহক পর্যায়ে বিতরণকৃত ঋণ/বিনিয়োগ আদায়ের সকল দায়-দায়িত্ব ঋণ/বিনিয়োগ বিতরণকারী ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর ন্যস্ত থাকবে। গ্রাহক পর্যায়ে উক্ত ঋণ/বিনিয়োগ আদায়ের সাথে বাংলাদেশ ব্যাংকের পাওনাকে সম্পর্কিত করা যাবে না।
ঘ) এ স্কীমের আওতায় পুনঃঅর্থায়ন সংক্রান্ত তথ্য মাসিক ভিত্তিতে পরবর্তী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে সংযোজনী-গ মোতাবেক এ বিভাগে প্রেরণ করতে হবে।
ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ (২০১৮ পর্যন্ত সংশোধিত) এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ সার্কলু ার জারি করা হ’ল।
এ সার্কুলারের নির্দেশনাবলী অবিলম্বে কার্যকর হবে।

Source: https://www.bb.org.bd/mediaroom/circulars/smespd/apr262020smespd02.pdf

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *