Category:

The circulars for the Credit Officials.

Special Working Capital facility for CMSME sector under Financial Incentive package-TK 20,000 Crore. Ref: SMESPD Circular Letter No. 03 dated 12-May-2020.

May 12th, 2020 by

করোনা ভাইরাস (COVID-19) এর প্রাদুর্ভাবের কারণে সিএমএসএমই
(CMSME) খাতের জন্য বিশেষ ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রসঙ্গে ।

শিরোনামোক্ত বিষয়ে এপ্রিল ১৩, ২০২০ তারিখে জারিকৃত এসএমইএসপিডি সার্কুলার নং-০১ এর প্রতি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে ।
০২। উক্ত সার্কুলারের ২(ঘ) নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত রয়েছে যে, মাঝারি শিল্পে ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের Guidelines on Internal Credit Risk Rating System for Banks (ICRRS) অনুযায়ী সর্বশেষ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীর তথ্যের ভিত্তিতে রেটিং ন্যূনতম Marginal হতে হবে ।
০৩। COVID-19 প্রাদুর্ভাবের কারণে দাপ্তরিক কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়ায় ব্যাংক কর্তৃক ICRRS এর মাধ্যমে গ্রাহকের রেটিং কার্যক্রম সম্পনè করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহিতা কর্তৃক প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি সরবরাহে বিঘè সৃষ্টি হওয়ার প্রেক্ষিতে ICRRS এর কাজ সম্পাদন করা সময় সাপেক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে ।
০৪। বর্ণিত অব¯হায় মাঝারি শিল্পের আওতায় তাদের উৎপাদন/সেবা কার্যক্রম পুনরায় দ্রæত চালু করার লক্ষ্যে শুধুমাত্র আলোচ্য প্যাকেজের আওতায় ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে ICRRS অনুযায়ী রেটিং কার্যক্রম সম্পনè না করে ব্যাংক কর্তৃক ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রদান করা যাবে । তবে, প্রতিটি ব্যাংক বিদ্যমান নিজস¦ নীতিমালার আওতায় ঋণ ঝুঁকি বিশ্লেষণপূর্বক ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে গ্রাহক নির্বাচন করবে ।
০৫। উল্লেখ্য ইতোপূর্বে জারীকৃত নির্দেশনানুযায়ী খেলাপী ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহিতাগণ এ প্যাকেজের আওতায় ঋণ/ বিনিয়োগ সুবিধা প্রাপ্য হবেন না ।
এছাড়াও কোন ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহিতা প্রতিষ্ঠানের কোন ঋণ/বিনিয়োগ মন্দ/ক্ষতিজনকমানে শ্রেণীকৃত হওয়ার পর ০৩(তিন) বারের অধিক পুনঃতফসিলকৃত হলে এরূপ ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহিতা প্রতিষ্ঠানও এ প্যাকেজের আওতায় ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রাপ্য হবেন না।
০৬। এতদ্ব্যতীত এসএমইএসপিডি সার্কলু ার-০১, তারিখ ১৩/০৪/২০২০ এ বর্ণিত অন্যান্য নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে ।

এ নির্দেশনা অবিলমে¦ কার্যকর হবে ।

Source: https://www.bb.org.bd/mediaroom/circulars/smespd/may122020smespdl03.pdf

A few amendments applicable for existing “Small Enterprise Refinance Scheme”, “Refinance Scheme for Setting up Agro Based Product Processing Industries in Rural Areas”, & “Refinance Scheme for New Entrepreneurs in Cottage, Micro and Small Enterprise Sector” to support CMSME. Ref: SMESPD Circular Letter No. 02 dated 07-May-2020.

May 7th, 2020 by

“স্মল এন্টারপ্রাইজ খাতে পুনঃঅর্থায়ন স্কীম”, “কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য মফস্বল ভিত্তিক শিল্প স্থাপনে পুনঃঅর্থায়ন স্কীম”, এবং “নতুন উদ্যোক্তা পুনঃঅর্থায়ন তহবিল” অধিকতর কার্যকর করা প্রসঙ্গে।

উপর্যুক্ত বিষয়ে ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ তারিখে জারিকৃত এসএমইএসপিডি সার্কুলার নং-০২ এর প্রতি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে।
০২। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সিএমএসএমই খাতের পুনরুজ্জীবন প্রক্রিয়া আরও গতিশীল এবং টেকসই করতে চলতি মূলধন এর পাশাপাশি মেয়াদি ঋণ/বিনিয়োগের যথাযথ প্রবাহ নিশ্চিতকল্পে বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত নিম্নোক্ত ৩ (তিন) টি পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের বিষয়ে নিম্নরূপ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে ঃ
ক) “স্মল এন্টারপ্রাইজ খাতে পুনঃঅর্থায়ন স্কীম”, “কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য মফস্বল ভিত্তিক শিল্প স্থাপনে পুনঃঅর্থায়ন স্কীম” এবং “নতুন উদ্যোক্তা পুনঃঅর্থায়ন তহবিল” এর আকার বৃদ্ধি করে যথাক্রমে ১,৫০০ কোটি, ১৪০০ কোটি, এবং ১০০ কোটি টাকায় উন্নীত করণ;
খ) উক্ত তহবিল তিনটির আওতায় সুদের হার ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ০৩ (তিন) শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে সর্বোচ্চ ০৭ (সাত) শতাংশ এ পুনঃনির্ধারণ; এবং
গ) এসকল তহবিলের আওতায় পুনঃঅর্থায়ন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের ন্যূনতম যোগ্যতা বিষয়ে সার্কুলার ০২/ ২০১৯ এর অনুচ্ছেদ ১১.৫ (জ) এর ১ ও ২ নং শর্তাবলীসমূহ রাষ্ট্রায়ত্ত¡ ব্যাংক/বিশেষায়িত ব্যাংকসমূহের জন্য প্রযোজ্য হবে না। এতদ্ব্যতীত, একই অনুচ্ছেদ (১১.৫(জ)) এর ৫ নং শর্ত শিথিল করে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা ন্যূনতম ০৩ (তিন) বছর করা হয়েছে।
এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

Source: https://www.bb.org.bd/mediaroom/circulars/smespd/may072020smespdl02.pdf

Reporting, monitoring, loan disbursement, and other issues (related to SMESPD Circular-1/2020) under special incentive package for CMSME sector. Ref: SMESPD Circular Letter No. 01 dated 30-Apr-2020.

April 30th, 2020 by

করোনা ভাইরাস ((COVID-19) এর প্রাদুর্ভাবের কারণে সিএমএসএমই
(CMSME) খাতের জন্য বিশেষ ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রসঙ্গে।

শিরোনামোক্ত বিষয়ে এপ্রিল ১৩, ২০২০ তারিখে জারিকৃত এসএমইএসপিডি সার্কুলার নং-০১ এর প্রতি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে।
০২। উক্ত সার্কুলারে উল্লিখিত ঋণ/বিনিয়োগ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করার লক্ষ্যে নিম্নোক্ত নির্দেশনা প্রদান করা হলোঃ
ক) উল্লিখিত প্যাকেজের আওতায় ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ তাদের চলতি মূলধন ঋণ/বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা সংযোজনী-৪ মোতাবেক এবং ঋণ/বিনিয়োগ অনুমোদন, বিতরণ ও সুদ ভর্তুকি সংক্রান্ত তথ্যাদি ইতঃপূর্বে প্রদত্ত (এসএমইএসপিডি সার্কুলার নং-০১/২০২০) সংযোজনী ১ ও ২ সহ সংশোধিত (সার্কুলার লেটার-১/২০২০) সংযোজনী-২ (ক ও খ) ও ৩ অনুযায়ী এসএমই এন্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ্ডিপার্টমেন্ট এর দায়িত্বপ্রাপ্ত ফোকাল কর্মকর্তার (ইতঃপূর্বে অবহিত করা হয়েছে) নিকট নির্ধারিত সময়ে দাখিল করবে;
খ) ক্ষতিগ্রস্ত সিএমএসএমই প্রতিষ্ঠানসমূহ পুনরুজ্জীবিতকরণে ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ ঋণ আবেদন গ্রহণ থেকে বিতরণ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে যথাসাধ্য সহজ কমর্প ন্থা অনুসরণপূর্বক দ্রæততম সময়ে ঋণ বিতরণ নিশ্চিত করবে;
গ) উদ্যোক্তাগণকে সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ তাদের প্রতিটি শাখায় আবশ্যিকভাবে একটি ¯ত^ ন্ত্র হেল্প ডেস্ক গঠন করবে এবং সহজে দৃষ্টিগোচর হয় এমন স্থানে আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ সংক্রান্ত তথ্যাদি প্রদর্শন করবে;
ঘ) ঋণ/বিনিয়োগ অর্থায়নে সহায়ক জামানত হিসেবে ব্যক্তিগত, সামাজিক ও গ্রæপ গ্যারান্টি গ্রহণ সংক্রান্ত ইতঃপূর্বে প্রদত্ত নির্দেশনা (এসএমইএসপিডি সার্কুলার নং-০২/২০১৯) এ প্যাকেজের আওতায়ও অনুসরণীয় হবে;
ঙ) ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমহূ প্রয়োজনে ঋণগ্রহীতা নির্বাচন, ঋণ বিতরণ, তদারকি ও আদায় সংক্রান্ত কার্যক্রমে FBCCI বা এর সদস্য চেম্বার/ এসোসিয়েশনসমূহের সহায়তা গ্রহণ করবে;
চ) ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমহূ ঋণ/বিনিয়োগ বিতরণ কার্যক্রম যথাযথভাবে তদারকি করার লক্ষ্যে নিজ নিজ প্রধান কার্যালয়ে একটি বিশেষ মনিটরিং টিম গঠনপূর্বক তার সদস্যদের নাম, ফোন নম্বর ও ই-মেইল ঠিকানা এসএমই এন্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ্ডিপার্টমেন্ট এর দায়িত্বপ্রাপ্ত ফোকাল কর্মকর্তাকে অবহিত করবে।

Source: https://www.bb.org.bd/mediaroom/circulars/smespd/apr302020smespdl01.pdf

Circular for Providing agricultural loan at 4% concessional interest rate in the crop sector to mitigate the crisis due to novel corona virus. Ref: ACD Circular No. 02 dated 27-Apr-2020.

April 27th, 2020 by

নভেল করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে সৃষ্ট সঙ্কট মোকাবেলায় কৃষকের অনূকুলে প্রণোদনা
সুবিধার আওতায় শস্য ও ফসল খাতে ৪% রেয়াতি সুদ হারে কৃষি ঋণ প্রদান প্রসঙ্গে।

নভেল করোনা ভাইরাস-এর প্রাদুর্ভাবের কারণে আগামীতে খাদ্যের উৎপাদন ও খাদ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে কৃষি খাতে শস্য ও ফসল চাষের জন্য কৃষক পর্যায়ে স্বল্প সুদে কৃষি ঋণ সরবরাহ করা অত্যাবশ্যক। উল্লেখ্য, আমদানী বিকল্প ফসলসমূহ (ডাল, ‣তলবীজ, মসলা জাতীয় ফসল ও ভুট্টা) চাষ করার জন্য কৃষক পর্যায়ে ৪% রেয়াতি সুদ হারে কৃষি ঋণ বিতরণের জন্য তফসিলি ব্যাংকসমূহের প্রতি নির্দেশনা রয়েছে।
এক্ষনে, আমদানী বিকল্প ফসলসমূহের পাশাপাশি কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচিতে উল্লিখিত ধান, গমসহ সকল দানা শস্য, অর্থকরী ফসল, শাক-সবজি ও কন্দাল ফসল চাষের জন্যও সুদ-ক্ষতি সুবিধার আওতায় কৃষক পর্যায়ে প্রণোদনা হিসেবে ৪% রেয়াতি সুদ হারে কৃষি ঋণ বিতরণ করার নির্দেশনা প্রদান করা হলো। বিতরণকৃত ঋণসমূহের বিপরীতে ব্যাংকসমূহ বাংলাদেশ ব্যাংক হতে প্রকৃত সুদ-ক্ষতি বাবদ ৫% হারে সুদ- ক্ষতি পুনর্ভরণ সুবিধা প্রাপ্য হবে।
সুদ-ক্ষতি পুনর্ভরণ সুবিধার আওতায় শস্য ও ফসল চাষের জন্য ৪% রেয়াতি সুদ হারে কৃষি ঋণ কার্যক্রম বাস্তবায়নের সুবিধার্থে অনুসরণীয় বিষয়গুলি নি¤েœ উল্লেখ করা হলোঃ
ক) সূচনা ঃ এ স্কীমের নাম হবে ”নভেল করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সৃষ্ট সঙ্কট মোকাবেলায় শস্য ও ফসল খাতে ৪% রেয়াতি সুদ হারে কৃষি ঋণ প্রদান”
খ) স্কীমের মেয়াদ ঃ এ স্কীমের মেয়াদ হবে ১ এপ্রিল ২০২০ হতে ৩০ জুন ২০২১ পর্যন্ত ।
গ) ঋণের সুদের হারঃ এ স্কীমের আওতায় কৃষক পর্যায়ে সুদের হার হবে সর্বোচ্চ ৪%। উক্ত সুদ হার চলমান এবং নতুন ঋণগ্রহিতা উভয় ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। তবে, ৩০ জুন, ২০২১ এর পর চলমান ঋণসমূহের অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য স্বাভাবিক সুদ হার প্রযোজ্য হবে।
ঘ) ঋণ বিতরণ ও আদায়ঃ
১) কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচিতে উল্লিখিত ধান গমসহ সকল দানা শস্য, অর্থকরী ফসল, শাক-সবজি ও কন্দাল ফসল চাষের ক্ষেত্রে ব্যাংকসমূহ পুর্ববর্তী বছরসমূহের ন্যয় নিজস্ব উৎস হতে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত তাদের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে কৃষক পর্যায়ে ৪% হার সুদে ঋণ বিতরণ করবে। এক্ষেত্রে, ব্যাংকসমূহ তাদের প্রকৃত সুদ-ক্ষতি অনুযায়ী ৫% হারে সুদ-ক্ষতি পুনর্ভরণ সুবিধা প্রাপ্য হবে।
২) শস্য ও ফসল চাষের জন্য রেয়াতি সুদে ঋণ বিতরণ ও আদায়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জারীকৃত কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচীতে উল্লিখিত ঋণ নিয়মাচার এবং অন্যান্য নীতিমালা যেমন কৃষক প্রতি ঋণের সর্বোচ্চ সীমা, জামানত, আবেদনপত্র গ্রহণ ও প্রক্রিয়াকরণের সময়কাল, ঋণ গ্রহীতার যোগ্যতা নিরূপণ, পাস বইয়ের ব্যবহার, ঋণ বিতরণ, ঋণের সদ্ব্যবহার, তদারকী ও আদায় ইত্যাদি যথারীতি প্রযোজ্য হবে। এ স্কীমের আওতায় ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে নিজস্ব নেটওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে সরাসরি কৃষক পর্যায়ে ৪% সুদ হার নিশ্চিত করতে হবে।
ঙ) রেয়াতি সুদে বিতরণকৃত ঋণের বিপরীতে ব্যাংকসমূহকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানঃ
১) চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের অতিক্রান্ত সময়ের মধ্যে যে সকল ঋণ ইতোমধ্যে কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচিতে উল্লিখিত দানা শস্য, অর্থকরী ফসল, শাক-সবজি ও কন্দাল ফসল চাষে বিতরণ করা হয়েছে তন্মধ্যে, শুধুমাত্র এপ্রিল-জুন, ২০২০ ক্সত্রমাসিকে আদায়কৃত/সমন্বয়কৃত ঋণসমূহের বিপরীতে এপ্রিল-জুন মাসের বকেয়া ঋণ স্থিতির উপর ব্যাংকসমূহ চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবী করতে পারবে। এক্ষেত্রে ব্যাংকসমূহকে সংশ্লিষ্ট ঋণগুলোর বিদ্যমান সুদ হার ১এপ্রিল, ২০২০ হতে ৪% এ পুনঃনির্ধারণ করতে হবে। এছাড়া, ২০২০-২১ অর্থবছরে আদায়কৃত/সমন্বয়কৃত ঋণসমূহের বিপরীতে ব্যাংকসমূহ উক্ত অর্থবছর শেষে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবী করবে।
২) ব্যাংকসমূহ রেয়াতি সুদে বিতরণকৃত ঋণের আদায়কৃত/সমন্বয়কৃত ঋণ হিসাবসমূহের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট অর্থবছর সমাপ্তির ০১ (এক) মাসের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট প্রকৃত সুদ-ক্ষতি বাবদ ৫% হারে আর্থিক ক্ষতিপূরণের আবেদন পেশ করবে। উক্ত আবেদনের সঙ্গে ব্যাংকসমূহ সংযুক্ত ছক মোতাবেক সুদ ক্ষতিপূরণের হিসাবায়নসহ একটি বিবরণী এবং সরাসরি কৃষকের অনুকূলে ৪% হারে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে মর্মে সংশ্লিষ্ট সকল শাখা হতে প্রত্যায়ন পত্র সংগ্রহপূর্বক অত্র বিভাগে দাখিল করবে।
৩) এ সার্কুলারের আওতায় আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবী হিসাবায়নের ক্ষেত্রে আমদানী বিকল্প ফসলসমূহ (ডাল, ‣তলবীজ, মসলা জাতীয় ফসল ও ভুট্টা) চাষের জন্য বিতরণকৃত ঋণের আদায়কৃত/সমন্বয়কৃত ঋণ হিসাব সমূহকে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। আমদানী বিকল্প ফসলসমূহ চাষের জন্য বিতরণকৃত ঋণসমূহের বিপরীতে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবী প্রচলিত নিয়মে পৃথকভাবে করতে হবে।
৪) বাংলাদেশ ব্যাংক ‣দবচয়ন (ৎধহফড়স ংধসঢ়ষরহম) ভিত্তিতে রেয়াতি হারে যোগ্য বলে দাবীকৃত ঋণের ন্যূনপক্ষে ১০% ঋণ নথি সরেজমিনে যাচাই করবে এবং যাচাইকৃত ঋণের মধ্যে যে পরিমাণ ঋণ নিয়মানুযায়ী প্রদেয় হয়নি মর্মে প্রমাণিত হবে তার শতকরা হার নির্ণয় করত তা পুরো দাবীকৃত ঋণের উপর কার্যকরপূর্বক প্রকৃত ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করবে এবং এর ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক তার নিজস্ব উৎস হতে ব্যাংকসমূহের সুদ
ক্ষতির অর্থ পরিশোধের ব্যবস্থা করবে।
৫) ঋণ বিতরণকারী শাখাসমূহ রেয়াতি সুদে বিতরণকৃত ঋণ গ্রহীতাদের তালিকাসহ এতদ্সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যাদি যেমন- মোট ঋণ গ্রহীতার সংখ্যা, শস্য/ফসলের নাম, ঋণ গ্রহীতার ঠিকানা, জমির পরিমাণ, ঋণ মঞ্জুরী ও বিতরণকৃত ঋণের পরিমাণ, ঋণের মেয়াদ, ঋণ বিতরণ ও সমন্বয়ের তারিখ ইত্যাদি সংরক্ষণ করবে যাতে প্রয়োজনবোধে ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদানের পূর্বে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক তার যথার্থতা যাচাই করা সম্ভব হয়। এছাড়া, ঋণ বিতরণকারী শাখাসমূহ এতদ্সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যাদি বিবরণী আকারে স্ব-স্ব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে স্থাপিত বিশেষ ঋণ মনিটরিং সেল-এর নিকটও প্রেরণ করবে।
৬) এ স্কীমের আওতায় উল্লিখিত শস্য ও ফসলসমূহে প্রকৃত চাষীদের অনুকূলে রেয়াতি সুদে প্রদত্ত ঋণের সদ্ব্যবহার নিশ্চিতকরণার্থে ঋণ বিতরণে অংশগ্রহণকারী ব্যাংকসমূহ ফলপ্রসূ তদারকীর যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
৭) ঋণ মঞ্জুরী পত্র অনুযায়ী নির্ধারিত মেয়াদ শেষে কোন ঋণ সম্পূর্ণ বা আংশিক অনাদায়ী থাকলে তার উপর রেয়াতি সুদ হার প্রযোজ্য হবে না।
মেয়াদোত্তীর্ণ বকেয়ার উপর ব্যাংকের নির্ধারিত স্বাভাবিক সুদের হারই ঋণ বিতরণের তারিখ হতে প্রযোজ্য হবে।
৮) উপরোক্ত স্কীমের অধীনে বিতরণকৃত ঋণের অর্থ সুদসহ যথানিয়মে আদায় করার জন্য তদারকী জোরদার করতে হবে।
উপরোক্ত নির্দেশনা ১ এপ্রিল, ২০২০ হতে কার্যকর বলে গণ্য হবে।

Source: https://www.bb.org.bd/mediaroom/circulars/acd/apr272020acd02.pdf

Tk 10,000 Crore Refinance Scheme for CMSME sector to provide working capital facility to the Entrepreneurs. Ref: SMESPD Circular No. 02 dated 26-Apr-2020.

April 26th, 2020 by

করোনা ভাইরাস (COVID-19)-এর প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ সিএমএসএমই খাতে
চলতি মূলধন ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে পুনঃঅর্থায়ন স্কীম প্রসঙ্গে।

উপর্যুক্ত বিষয়ে এপ্রিল ১৩, ২০২০ তারিখে জারিকৃত এসএমইএসপিডি সার্কুলার নং-০১ এর প্রতি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে।
০২। করোনা ভাইরাস (COVID-19) এর প্রাদুর্ভাবের কারণে বাংলাদেশে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবেলায় ক্ষতিগ্রস্ত কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ/শিল্প (CMSME) সমূহের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত আর্থিক সহায়তা প্যাকেজের আওতায় উক্ত সার্কুলারের মাধ্যমে ২০(বিশ) হাজার কোটি টাকার ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা গ্রহণ/প্রদানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নির্দেশনাসমূহ জারি করা হয়। উক্ত সার্কুলারের নির্দেশনা অনুযায়ী তফসিলি ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত CMSME প্রতিষ্ঠানসমূহকে তাদের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে চলতি মলূ ধন বাবদ ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রদান করবে। এ পর্যায়ে, উক্ত আর্থিক সহায়তা প্যাকেজের আওতায় চলতি মূলধন ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রদানে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের তারল্য প্রবাহ নিশ্চিতকল্পে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ১০(দশ) হাজার কোটি টাকার একটি আবতর্ন শীল পুনঃঅর্থায়ন স্কীম (Revolving Refinance Scheme) গঠন করা হয়েছে। এসএমইএসপিডি সার্কুলার নং-০১/২০২০ এর আওতায় ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ হতে তদ্কর্তৃক বিতরণকতৃ ঋণ/বিনিয়োগ ¯ি’ি তর সর্বোচ্চ ৫০% অর্থ এ স্কীম হতে পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা প্রদান করা হবে। উক্ত স্কীম পরিচালনার ক্ষেত্রে নি¤œবর্ণিত নির্দেশনাসমহূ অনুসরণীয় হবেঃ
১) স্কীমের নামঃ “করোনা ভাইরাস এর সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবেলায় সিএমএসএমই খাতে চলতি মূলধন ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রদানে পুনঃঅর্থায়ন স্কীম”।
২) তহবিলের উৎসঃ বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল।
৩) তহবিলের পরিমাণঃ ১০(দশ) হাজার কোটি টাকা।
৪) মেয়াদঃ ০৩ (তিন) বছর।
৫) সুদ/মুনাফার হারঃ সুদ/মুনাফার হার হবে ৪ (চার) শতাংশ, যা ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে (মার্চ, জনু, সেপ্টেম্বর ও ডিসেম্বর ভিত্তিক) আরোপিত হবে।
৬) ব্যাংক-ওয়ারী তহবিল বরাদ্দঃ এসএমইএসপিডি সার্কলু ার নং-০১/২০২০ এর যাবতীয় নির্দেশনা পরিপালন সাপেক্ষে প্রতিটি ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিতরণকৃত ঋণ/বিনিয়োগ স্থিতির সর্বোচ্চ ৫০% পর্যন্ত অর্থ এ স্কীমের আওতায় পুনঃঅর্থায়ন পাওয়া যাবে। এ স্কিমের আওতায় গৃহীত ঋণ/বিনিয়োগ কোনভাবেই এসএমইএসপিডি সাকুলার নং-০১/২০২০ এর আওতার বাইরে অন্য কোনো খাতে/উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যাবে না।
৭) অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের যোগ্যতাঃ বাংলাদেশে কার্যরতক) সকল রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান আলোচ্য পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে।
খ) সকল বেসরকারি ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান আলোচ্য পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। তবে, প্রবলেম/রুগ্ন ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পুনঃঅর্থায়নের আবেদন কেইস-টু-কেইস ভিত্তিতে বিবেচনা করা হবে।
৮) ঋণ চুক্তিপত্রঃ আলোচ্য পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা গ্রহণের জন্য আগ্রহী তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে তার বাৎসরিক অনুমোদন যোগ্য চলতি ঋণসীমার জন্য একটি ঋণ চুক্তিপত্র সম্পাদন করতে হবে।বাংলাদেশ ব্যাংক এর সাথে স্বাক্ষরিত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে এসএমইএসপিডি সাকুর্লার নং-০১/২০২০ এর আওতায় সিএমএসএমই খাতে চলতি মূলধন ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রদানকারী ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ এ স্কীমের আওতায় নির্ধারিত সীমার মধ্যে পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। এক্ষেত্রে, পুনঃঅর্থায়নযোগ্য ঋণ/বিনিয়োগ নির্ধারণে সিএমএসএমই অর্থায়ন সংক্রান্ত মাস্টার সার্কলু ার ০২/২০১৯ এর অপরাপর প্রযোজ্য নির্দেশনাবলী বলবৎ থাকবে।
৯) স্কীমের আওতায় আবেদন গ্রহণ ও পুনঃঅর্থায়ন প্রক্রিয়াঃ
ক) এসএমইএসপিডি সার্কুলার নং-০১/২০২০ এর আওতায় ঋণ/বিনিয়োগ বিতরণের পর পরবর্তী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে পূবর্ব র্তী মাসে বিতরণকৃত ঋণ/বিনিয়োগ স্থিতির সর্বোচ্চ ৫০% অর্থ পুনঃঅর্থায়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট আবেদন করা যাবে।
খ) পুনঃঅর্থায়ন প্রাপ্তির লক্ষ্যে অর্থায়নকারী ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান সংযোজনী-ক এবং সংযোজনী-খ অনুযায়ী নির্ধারিত ছকে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি প্রদানপূর্বক মহাব্যবস্থাপক, এসএমই এন্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস্ ডিপার্টমেন্ট বরাবরে আবেদন করবে।
গ) কোনো ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পুনঃঅর্থায়ন ঋণ/বিনিয়োগ সীমার কোন অর্থ পরিশোধিত হওয়ার পর এসএমইএসপিডি সার্কুলার নং-০১/২০২০ এর আওতায় নতুন গ্রহীতাকে ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রদান করা হলে অর্থায়নকারী ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান এ স্কিম হতে পুনরায় পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে। এভাবে একটি ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান মোট ০৩(তিন) বছর পর্যন্ত নিজস্ব সীমার মধ্যে পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে।
১০) পুনঃঅর্থায়ন বাবদ গৃহীত ঋণ পরিশোধ/আদায় পদ্ধতিঃ
ক) ঋণ চুক্তিপত্রে উল্লিখিত আদায়সূচী অনুযায়ী সুদ/মুনাফাসহ পুনঃঅর্থায়িত অর্থ নির্ধারিত সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিসে রক্ষিত সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চলতি হিসাব থেকে কর্তন করে নেয়া হবে। এলক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের চলতি হিসাবে পর্যাপ্ত তহবিল সংরক্ষণ করতে হবে।
খ) গ্রাহক পর্যায়ে বিতরণকৃত ঋণে গ্রেস পিরিয়ড প্রদান করা হলে পুনঃঅর্থায়ন প্রদানের ক্ষেত্রেও গ্রেস পিরিয়ড (সর্বোচ্চ ০৩ মাস) প্রদান করা হবে।
গ) কোন কারণে বিতরণকৃত ঋণ/বিনিয়োগ আদায়/সমন্বয় হলে অথবা ১(এক) বছর মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে (যেটি আগে ঘটে) সর্বশেষ ত্রৈমাসিকের সুদসহ ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ছাড়কৃত সমুদয় অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংককে পরিশোধ করতে হবে। অন্যথায়, উক্তরূপে গৃহীত অর্থ পুনঃঅর্থায়নকালে আরোপিত সুদ/মুনাফার হার অপেক্ষা ২% অধিক হারে সুদ/মুনাফাসহ এককালীন আদায়যোগ্য হবে।
১১) তহবিল/স্থিতি অপর্যাপ্ততাঃ সুদ/মনুাফাসহ পুনঃঅর্থায়িত অর্থ আদায়কালে বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের চলতি হিসাবে তহবিল/স্থিতি অপর্যাপ্ততার কারণে সুদ/মুনাফা/কিস্তি আদায় করা সম্ভব না হলে, আদায়যোগ্য অর্থ পুনঃঅর্থায়নকালে আরোপিত সুদ/মুনাফার হার অপেক্ষা ২% অধিক হারে অতিরিক্ত সময়ের সুদ/মুনাফাসহ তহবিল পর্যাপ্ততা সাপেক্ষে আদায় করা হবে।
১২) দলিলাদি তলব ও প্রকল্প পরিদর্শনঃ বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনানুসারে পুনঃঅর্থায়ন মঞ্জুরির পূর্বে বা পরে এতদ্সংক্রান্ত দলিলাদি তলব ও প্রকল্প পরিদর্শন করতে পারবে।
১৩) অন্যান্য নির্দেশাবলীঃ
ক) এ স্কীমের আওতায় পুনঃঅর্থায়নকৃত অর্থ এসএমইএসপিডি সার্কুলার নং-০১/২০২০ এর আওতা বহিভূর্ত অন্য কোন খাতে ব্যবহার করা হলে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক সে পরিমাণ অর্থের ওপর নির্ধারিত সুদ/মুনাফা হারের অতিরিক্ত ২% হারে সুদ/মনুাফাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে এককালীন আদায় করা হবে।
খ) এ স্কীমের আওতায় গ্রাহক পর্যায়ে ঋণ/বিনিয়োগ বিতরণের সকল পর্যায়ে এসএমইএসপিডি সার্কুলার নং-০১/২০২০ এ বর্ণিত নির্দেশনাবলী যথাযথভাবে পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে।
গ) গ্রাহক পর্যায়ে বিতরণকৃত ঋণ/বিনিয়োগ আদায়ের সকল দায়-দায়িত্ব ঋণ/বিনিয়োগ বিতরণকারী ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর ন্যস্ত থাকবে। গ্রাহক পর্যায়ে উক্ত ঋণ/বিনিয়োগ আদায়ের সাথে বাংলাদেশ ব্যাংকের পাওনাকে সম্পর্কিত করা যাবে না।
ঘ) এ স্কীমের আওতায় পুনঃঅর্থায়ন সংক্রান্ত তথ্য মাসিক ভিত্তিতে পরবর্তী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে সংযোজনী-গ মোতাবেক এ বিভাগে প্রেরণ করতে হবে।
ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ (২০১৮ পর্যন্ত সংশোধিত) এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ সার্কলু ার জারি করা হ’ল।
এ সার্কুলারের নির্দেশনাবলী অবিলম্বে কার্যকর হবে।

Source: https://www.bb.org.bd/mediaroom/circulars/smespd/apr262020smespd02.pdf

Special Working Capital facility for CMSME sector under Financial Incentive package-TK 20,000 Crore. Ref: SMESPD Circular No. 01 dated 13-Apr-2020.

April 13th, 2020 by

নভেল করোনা ভাইরাস (COVID-19) এর প্রাদুর্ভাবের কারণে সিএমএসএমই
(CMSME) খাতের জন্য বিশেষ ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রসঙ্গে।

নভেল করোনা ভাইরাস (COVID-19) এর প্রাদুর্ভাবের কারণে বাংলাদেশে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবেলায় দেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড পুনরুজ্জীবিতকরণের লক্ষ্যে কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের (ঈগঝগঊ) সক্ষমতা অক্ষুন্ন রাখা এবং শিল্প কারখানায় নিয়োজিত জনবলকে কাজে বহাল রাখার প্রয়োজনে ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে স্বল্প সুদে চলতি মূলধন ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রবর্তনের জন্য বিগত এপ্রিল ০৫, ২০২০ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০(বিশ) হাজার কোটি টাকার আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেন।
এই প্যাকেজের আওতায় বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ তাদের নিজস্ব তহবিল থেকে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত সিএমএসএমই (ঈগঝগঊ) খাতে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে চলতি মূলধন (ডড়ৎশরহম ঈধঢ়রঃধষ) বাবদ ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা দিবে।
চলতি মলূ ধন হিসেবে প্রদত্ত ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধার বিপরীতে ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প উদ্যোগের উপর সুদ/মনুাফার বোঝা লাঘবের পাশাপাশি ঋণ/বিনিয়োগের ঝুঁকি বহনকারী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমহূও যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে লক্ষ্যেই এ বিশেষ প্রনোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। গ্রাহক পর্যায়ে সহনীয় সুদ/মুনাফার হার কার্যকর করার লক্ষ্যে বর্তমানে চলমান সুদ/মুনাফার হার ৯.০০ শতাংশ এর বিপরীতে সরকার ৫.০০ শতাংশ সুদ ভর্তুকী হিসেবে প্রদান করবে। এ সুবিধার আওতায় সহজ শর্তে ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা গ্রহণ/প্রদানের ক্ষেত্রে নি¤œবর্ণিত নির্দেশনাসমহূ অনুসরণীয় হবেঃ
১) ব্যাংক ও খাতওয়ারী ঋণ/বিনিয়োগের আনুপাতিক বণ্টন ও মেয়াদঃ
ক) কোন তফসিলি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখ ভিত্তিক সিএমএসএমই ঋণস্থিতির সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ এক অর্থ বছরে এই প্যাকেজের আওতায় চলতি মলূ ধন হিসেবে ঋণ/বিনিয়োগসুবিধা প্রদান করতে পারবে। যেহেতু আলোচ্য প্যাকেজের আওতায় মোট তহবিলের পরিমাণ নির্ধারিত রয়েছে, সেকারণে প্রত্যেক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ সীমার বিষয়ে এ সাকুর্ল ার জারির ৩(তিন) মাসের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘এসএমই এন্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস্ ডিপার্টমেন্ট’কে অবহিত করবে। এর আওতায় সুষ্ঠুভাবে কার্যক্রম সম্পন্ন করাসহ এর সুবিধা যাতে অধিক সংখ্যক উদ্যোক্তা পেতে পারেন এর সামঞ্জস্যতা বিধানে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনে উক্ত সীমা বৃদ্ধি/হ্রাস করতে পারবে। ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত মোট ঋণ/বিনিয়োগের পরিমাণ নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত হলে সীমাতিরিক্ত ঋণ/বিনিয়োগের উপর সরকার হতে ভর্তুকী প্রাপ্য হবে না;
খ) এই ঋণ/ বিনিয়োগ সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে সিএমএসএমই খাতের উৎপাদন ও সেবা উপখাতকে প্রাধান্য দেয়া হবে। তবে, ব্যবসা/ট্রেড ভিত্তিক মাইক্রো ও ক্ষুদ্র শিল্প এ সুবিধার আওতাভুক্ত হবে। এই প্যাকেজের আওতায় উৎপাদন, সেবা ও ব্যবসা (ট্রেড) উপখাতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের বাৎসরিক মোট ঋণ/বিনিয়োগের আনুপাতিক হার হবে যথাক্রমে ৫০, ৩০ ও ২০ শতাংশ;
গ) বাৎসরিক মোট ঋণ/বিনিয়োগের ন্যূনতম ১৫ শতাংশ গ্রাম অঞ্চলে প্রদান করতে হবে;
ঘ) বাৎসরিক মোট ঋণ/বিনিয়োগের ন্যূনতম ৭০ শতাংশ কটেজ, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র শিল্প খাতে এবং অবশিষ্ট ৩০ শতাংশ মাঝারি শিল্প খাতে প্রদান করা যাবে;
ঙ) বাৎসরিক মোট ঋণ/বিনিয়োগের ন্যূনতম ৫ শতাংশ নারী উদ্যোক্তাগনকে প্রদান করতে হবে;
চ) এ ঋণ/বিনিয়োগ ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখ জারিকৃত এসএমইএসপিডি সার্কুলার নং-২ এর ৩ নং ক্রমিকে উল্লিখিত বছর ভিত্তিক লক্ষ্যমাত্রার অন্তর্ভুক্ত হবে না;
ছ) এ প্যাকেজের মেয়াদ হবে ৩ (তিন) বছর;
জ) কোনো একক উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ এক বছর এ প্যাকেজের আওতায় সরকার হতে ভর্তুকী প্রাপ্য হবেন।
২) ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহীতার যোগ্যতাঃ
শুধুমাত্র করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এমন কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোগ (ঈগঝগঊ) এ সুবিধার আওতাভুক্ত হবে। ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রদানকারী ব্যাংক/ আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক গ্রাহক পর্যায়ে নি¤œবর্ণিত বিষয়াবলী যাচাই করে ঋণ/বিনিয়োগ করতে হবে ঃ
ক) খেলাপী ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহীতাগন এ সুবিধা পাবেন না। কোনো ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের কোন ঋণ/বিনিয়োগ মন্দ/ক্ষতিজনক মানে শ্রেণীকৃত হওয়ার পর ইতঃপূর্বে তিনবারের অধিক পুনঃতফসিলকৃত হলে এরূপ ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহীতা প্রতিষ্ঠান এ প্যাকেজের আওতায় ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রাপ্য হবে না;
খ) কুটির ও মাইক্রো শিল্পে নতুনভাবে ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহণের জন্য আবেদনকারী (যাদের নামে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে কোন ঋণ নেই, তবে যারা এ যাবৎ নিজস্ব পুঁজি দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন কিন্তু বর্তমানে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ/বিনিয়োগের সুবিধা নিতে আগ্রহী) এবং বিদ্যমান ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহীতা উভয়ের ক্ষেত্রেই সর্বশেষ সমাপ্ত হিসাব বছরের আর্থিক বিবরণী (ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহণের সময় সর্বশেষ হিসাব বছর শেষ হওয়ার ছয় মাস অতিবাহিত না হলে পূর্ববর্তী হিসাব বছরের আর্থিক বিবরণী) অথবা বিগত বছরের (এক/একাধিক) উৎপাদন/বিক্রি/টার্নওভারের লিখিত হিসাব থাকা সাপেক্ষে এ ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রদান করা যাবে;
গ) ক্ষুদ্র শিল্পে নতুনভাবে ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহণের জন্য আবেদনকারী (যাদের নামে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বতর্ম ানে কোন ঋণ নেই, তবে যারা এ যাবৎ নিজস্ব পুঁজি দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন কিন্তু বর্তমানে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ/বিনিয়োগের সুবিধা নিতে আগ্রহী) এবং বিদ্যমান ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহীতা উভয়ের ক্ষেত্রেই সর্বশেষ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী (ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহণের সময় সর্বশেষ হিসাব বছর শেষ হওয়ার ছয় মাস অতিবাহিত না হলে পূর্ববর্তী হিসাব বছরের আর্থিক বিবরণী) অথবা আস্থায় নেয়া যায় এরূপ আর্থিক বিবরণী থাকা সাপেক্ষে এ ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রদান করা যাবে;
ঘ) মাঝারি শিল্পে নতুনভাবে ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহণের জন্য আবেদনকারী (যাদের নামে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বতর্ম ানে কোন ঋণ নেই, তবে যারা এ যাবৎ নিজস্ব পুঁজি দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন কিন্তু বর্তমানে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ/বিনিয়োগের সুবিধা নিতে আগ্রহী) এবং বিদ্যমান ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহীতা-উভয়ের ক্ষেত্রেই সর্বশেষ বাংলাদেশ ব্যাংকের এঁরফবষরহবং ড়হ ওহঃবৎহধষ ঈৎবফরঃ জরংশ জধঃরহম ঝুংঃবস ভড়ৎ ইধহশং (ওঈজজঝ) অনুযায়ী সর্বশেষ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণীর (ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহণের সময় সর্বশেষ হিসাব বছর শেষ হওয়ার ছয় মাস অতিবাহিত না হলে পূর্ববর্তী হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী) তথ্যের ভিত্তিতে রেটিং ন্যূনতম গধৎমরহধষ হতে হবে।
৩) চলতি মলূ ধন ঋণ/বিনিয়োগের ব্যবহারঃ
ক) কেবলমাত্র করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভা বে ক্ষতিগ্রস্ত সিএমএসএমই খাতের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে চলতি মূলধনের চাহিদার বিপরীতে এ প্যাকেজের আওতায় প্রদত্ত ঋণ/বিনিয়োগ ব্যবহার করা যাবে;
খ) এ প্যাকেজের আওতায় গৃহীত ঋণ/বিনিয়োগ দিয়ে বিদ্যমান কোন ঋণ/বিনিয়োগ হিসাব সমন্বয়/পরিশোধ করা যাবে না;
গ) বিএমআরইসহ ব্যবসা সম্প্রসারণ বা নতুন কোন ব্যবসা চালুর জন্য এ ঋণ/বিনিয়োগ ব্যবহার করা যাবে না।
৪) প্রদেয় ঋণ/বিনিয়োগ সীমা ও মেয়াদঃ
ক) ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের বিগত জানুয়ারী ২০২০ হতে পরবর্তী মাসসমূহের উৎপাদনের/বিক্রয়ের নি¤œমূখিতা যথাযথভাবে নিরূপনকরতঃ বিগত বছরের (এক/একাধিক) উৎপাদন/বিক্রি/টার্নওভারের ভিত্তিতে
প্রয়োজনীয় চলতি মলূ ধনের পরিমাণ হিসাব করতে হবে;
খ) উৎপাদন ও সেবা শিল্পের সাথে জড়িত উদ্যোক্তাগণ, যারা ইতঃপূর্বে ব্যাংক হতে চলতি মূলধন ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহণ করেছেন সে সকল ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহীতাগণ বিদ্যমান চলতি মূলধন ঋণ/বিনিয়োগ স্থিতির ৩০% বা সর্বশেষ সমাপ্ত হিসাব বছরসহ বিগত তিন বছরের আর্থিক বিবরণীতে উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী গড় পরিচালন ব্যয় (ড়ঢ়বৎধঃরহম বীঢ়বহংবং) এর ৫০%- এ দু’টির মধ্যে যেটি কম সেই পরিমাণ চলতি মূলধন সুবিধা পেতে পারেন;
গ) ট্রেডিং ব্যবসার সাথে জড়িত উদ্যোক্তাগন, যারা ইতঃপূর্বে ব্যাংক হতে চলতি মূলধন ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহণ করেছেন সে সকল ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহীতাগণ সর্বশেষ সমাপ্ত হিসাব বছরসহ বিগত তিন বছরের আর্থিক বিবরণীতে উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী গড় বার্ষিক টার্নওভার বিবেচনায় নিয়ে ২৫% পর্যন্ত চলতি মলূ ধন সুবিধা পেতে পারেন, তবে তা ১ (এক) কোটি টাকার অধিক হতে পারবে না;
ঘ) নতুন ঋণ/বিনিয়োগের ক্ষেত্রে (যাদের নামে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে কোন ঋণ নেই, তবে যারা এ যাবৎ নিজস্ব পুঁজি দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন কিন্তু বর্তমানে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ/বিনিয়োগের সুবিধা নিতে আগ্রহী) ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান নীতিমালার আওতায় চলতি মূলধন ঋণ/বিনিয়োগের প্রাপ্যতা সীমা নির্ধারিত হবে। তবে, উক্ত সীমা সর্বশেষ সমাপ্ত হিসাব বছরসহ বিগত তিন বছরের (যদি থাকে) আর্থিক বিবরণীতে উল্লেখিত তথ্য অনুযায়ী উৎপাদন ও সেবা শিল্পের প্রাপ্যতার সর্বোচ্চ ৩০% অথবা বিগত বছরের (এক/একাধিক) উৎপাদন/বিক্রি/টার্নওভারের ৫০%- এ দু’টির মধ্যে যেটি কম সেই পরিমাণ। ট্রেডিং ব্যবসার ক্ষেত্রে ঋণ/বিনিয়োগর পরিমান বার্ষিক টার্নওভারের ২৫% এর মধ্যে, তবে তা ১ (এক) কোটি টাকার অধিক হতে পারবে না;
ঙ) বিনিয়োগকারী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ ব্যবস্থায় শিল্প উদ্যোগের উৎপাদন ও টার্নওভার বিষয়ে নিয়মিত সকল দলিলাদি সংরক্ষণ করবে এবং তা পর্যবেক্ষণে রাখবে;
চ) আলোচ্য প্যাকেজের আওতায় কোন ঋণ/বিনিয়োগ নবায়ন করা যাবে না। তবে, পরবর্তীতে ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহীতার ব্যবসায়িক লেনদেন সন্তোষজনক হলে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান নিজস্ব ঋণ নীতিমালার আওতায় তা নবায়ন করতে পারে। সেক্ষেত্রে, পরবর্তী সময়ের জন্য সরকারের নিকট হতে সুদ/মুনাফা বাবদ কোন ভর্তুকী প্রদান করা হবে না।
৫) ঋণ/বিনিয়োগের সুদ/মনুাফার হারঃ
ক) এ ঋণ/বিনিয়োগের সুদ/মুনাফার হার হবে সর্বোচ্চ ৯ (নয়) শতাংশ। প্রদত্ত ঋণ/বিনিয়োগের সুদ/মুনাফার সর্বোচ্চ ৪.০০ (চার) শতাংশ ঋণগ্রহীতা পরিশোধ করবেন এবং অবশিষ্ট ৫ (পাঁচ) শতাংশ সরকার
ভর্তুকী হিসেবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পরিশোধ করবে;
খ) ঋণ/বিনিয়োগের উপর সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ হারে সুদ/মুনাফা আরোপিত হলেও সরকার হতে প্রাপ্য ভর্তুকীর সমপরিমাণ অর্থ ঋণগ্রহীতার দায় হিসেবে বিবেচিত হবে না। তবে, ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহীতা কর্তৃক প্রদেয়
নির্ধারিত সুদ/মুনাফা (৪%) নিয়মানুযায়ী যথাসময়ে পরিশোধিত না হলে সমুদয় আরোপিত সুদ/মনুাফা ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহীতার দায় হিসেবে বিবেচিত হবে;
গ) ঋণ/বিনিয়োগের বিপরীতে বিআরপিডি সাকুর্ল ার নং-০২ তারিখ মার্চ ১৩, ২০১৭ এ উল্লিখিত শিডিউল অব চাজের্স ব্যতীত অন্য কোন চার্জ/ফি আরোপ করা যাবে না। কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কতর্ৃক ঋণ/ বিনিয়োগের উপর অন্য কোন প্রকার অদৃশ্য (যরফফবহ) ফি আরোপ করা হলে সে প্রতিষ্ঠানের বিরূদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংক আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করতে পারবে;
ঘ) সকলক্ষেত্রে গ্রাহক পর্যায়ে ক্রমহ্রাসমান স্থিতির (ফবপষরহরহম নধষধহপব সবঃযড়ফ) ভিত্তিতে সুদ হিসাবায়ন করতে হবে।
৬) ঋণ/বিনিয়োগ প্রণোদনা প্যাকেজের ব্যবস্থাপনাঃ
ক) এ প্যাকেজের আওতায় তফসিলিব্যাংকের ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের নিজস্ব ‘ঋণ/বিনিয়োগ নীতিমালা’ অনুযায়ী ঋণ/বিনিয়োগ অনুমোদিত হতে হবে।এক্ষেত্রে, ছোট ছোট ঋণ/ বিনিয়োগ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার প্রয়োজনে ঋণ/বিনিয়োগে অনুমোদনের ক্ষমতা শাখা পর্যায়ে অর্পণ/পুর্নবন্টন করা যেতে পারে;
খ) প্রত্যেক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান আলোচ্য প্যাকেজের আওতায় চলতি মূলধন ঋণ বিতরণের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এর ‘এসএমই এন্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস্ ডিপার্টমেন্ট’-এ প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে পূর্ববর্তী মাসে অনুমোদিত ও বিতরণকৃত ঋণ/বিনিয়োগের বিষয়ে সংযোজনী-১ ও ২ (ক ও খ) এ প্রদত্ত ছকে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সরবরাহ করবে। তথ্য যাচাই এর প্রয়োজনে ‘এসএমই এন্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস্ ডিপার্টমেন্ট’ সংশিষ্টø ব্যাংক/ আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ঋণ সংক্রান্ত দলিলাদি সরবরাহের অনুরোধ করতে এবং শাখা/মাঠ পর্যায়ে নিরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ করা না হলে সংশ্লিষ্ট ঋণ প্রণোদনা আলোচ্য প্যাকেজ হতে বাতিল করা হতে পারে;
গ) ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা বিষয়ে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান কত ৃর্ক ইচ্ছাকৃতভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকে কোন ভুল তথ্য সরবরাহ করা হলে উক্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এই প্যাকেজের আওতায় কোন সুদ ভর্তুকী সুবিধা প্রাপ্য হবে না, উপরন্তু এর জন্য বিতরণকৃত ঋণের উপর ২% হারে জরিমানা আরোপ করা হবে;
ঘ) এই ঋণ/বিনিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য ‘করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় বিশেষ ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধাএসএমই প্যাকেজ’ নামে আলাদাভাবে সংরক্ষিত হবে এবং এ বিষয়ে সিএল-২ বিবরণীতে বাংলাদেশ ব্যাংককে রিপোর্ট করতে হবে;
ঙ) সরকার কর্তৃক ভর্তুকী বাবদ প্রদত্ত সুদ/মনুাফার অংশ বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় এর ‘একাউন্টস এন্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্ট’ (এএন্ডবিডি) কর্তৃক প্রদত্ত হবে। সরকার হতে ভর্তুকী বাবদ সুদ/মুনাফার পুনর্ভরণ কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়/প্রিন্সিপাল অফিস কর্তৃক সম্পাদিত হতে হবে।
৭) ঋণ/বিনিয়োগের আবেদন গ্রহণ, অনুমোদন, বিতরণ, তদারকি প্রক্রিয়া, ইত্যাদিঃ
এ প্যাকেজের আওতায় ঋণ/বিনিয়োগ প্রাপ্তির জন্য আবেদন গ্রহণ, অনুমোদন, বিতরণ ও তদারকি কার্যক্রম নি¤œবর্ণিত উপায়ে সম্পাদিত হবেঃ
ক) করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত উদ্যোক্তাগণযে কোনো তফসিলি ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ঋণ/বিনিয়োগের আবেদন করতে পারবেন;
খ) আবেদনকারী উদ্যোক্তা করোনা ভাইরাসের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এ বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে তফসিলি ব্যাংক নিজস্ব ‘ঋণ/বিনিয়োগ নীতিমালা’র আওতায় ঋণ/বিনিয়োগ ঝুঁকি বিশ্লেষণপূর্বক ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ঋণ/বিনিয়োগের মঞ্জুরী/অনুমোদন প্রদান করবে। এক্ষেত্রে, অপেক্ষাকৃত বেশী ক্ষতিগ্রস্ত উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান অগ্রাধিকার পাবে;
গ) যথাযথভাবে প্রক্রিয়া অবলম্বন করতঃ ঋণ/বিনিয়োগের মঞ্জুরী/অনুমোদন হওয়ার পর ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহণকারী উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে নিজস্ব ‘ঋণ/বিনিয়োগ নীতিমালা’র আওতায় নিজস্ব তহবিল হতে দ্রæততার সাথে ঋণ/বিনিয়োগ বিতরণ করবে;
ঘ) উল্লিখিত ৬(খ) এর নির্দেশনা অনুযায়ী নিয়মিতভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘এসএমই এন্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস্ ডিপার্টমেন্ট’ কে তথ্য সরবরাহ করতে হবে;
ঙ) আলোচ্য ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখ জারিকৃত এসএমইএসপিডি সার্কুলার নং-২ এর অন্যান্য নীতিমালা/ নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে;
চ) আলোচ্য ঋণ/বিনিয়োগ সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে ‘একক গ্রাহক ঋণসীমা’ সংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জারিকৃত নির্দেশনা প্রযোজ্য হবে;
ছ) এ প্যাকেজের আওতায় প্রদত্ত ঋণ/বিনিয়োগের ব্যবহার যথাযথভাবে হচ্ছে কিনা, তা তদারক করার জন্য প্রতিটি ব্যাংক তাদের প্রধান কার্যালয়ের আওতায় একটি ‘বিশেষ মনিটরিং সেল’ গঠন করে বিষয়টি নিয়মিত তদারকি করবে;
জ) এ উদ্দেশ্যে গঠিত ‘এসএমই এন্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস্ ডিপার্টমেন্ট’ এর বিশেষ মনিটরিং সেল যেকোন সময় এ তহবিলের আওতায় প্রদত্ত ঋণ/বিনিয়োগ কার্যক্রম পরিদর্শন করতে পারবে।
৮) ঋণ/বিনিয়োগ আদায় প্রক্রিয়াঃ
ক) যেহেতুচলতি মূলধন ঋণ/বিনিয়োগ একটি চলমান (ঈড়হঃরহঁড়ঁং) প্রকৃতির ঋণ/বিনিয়োগ সেহেতু এটি মেয়াদপুর্তিতেই পরিশোধযোগ্য। ঋণ/বিনিয়োগ মেয়াদের মধ্যে (এক বছর) মঞ্জুরীকৃত ঋণ/বিনিয়োগসীমার আওতায় টাকা জমা ও উত্তোলন করা যাবে;
খ) ঋণ/বিনিয়োগের বিপরীতে আরোপিত সুদ/মুনাফাসহ ঋণ/বিনিয়োগের স্থিতি (খড়ধহ ঙঁঃংঃধহফরহম) কোনভাবেই মঞ্জুরীকৃত ঋণসীমা অতিক্রম করতে পারবে না। তবে কোনো কারণে সুদ/মুনাফা আরোপের ফলে ঋণসীমা অতিক্রম করলে প্রতি ত্রৈমাসিক শেষে পরবর্তী ০৫(পাঁচ) কমর্ িদবসের মধ্যে ঋণগ্রহীতা কর্তৃক তা পরিশোধিত/সমন্বিত হতে হবে;
গ) বিতরণকৃত ঋণ/বিনিয়োগ আদায়ের সকল দায়-দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের উপর বর্তাবে;
ঘ) ঋণ/বিনিয়োগ অনাদায়ে এরূপ ঋণ/বিনিয়োগ বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী শ্রেণীকরণপূর্বক যথাযথভাবে প্রভিশন সংরক্ষন করতে হবে।
৯) ঋণ/বিনিয়োগের বিপরীতে সুদ/মুনাফার অর্থ পুনর্ভরণ প্রক্রিয়াঃ
ক) এ প্যাকেজের আওতায় গৃহীত ঋণ/বিনিয়োগের উপর আরোপিত সুদ/মুনাফার ৫ (পাঁচ) শতাংশ অর্থ ত্রৈমাসিকভিত্তিতে (মার্চ, জনু, সেপ্টেম্বর ও ডিসেম্বর) সরকারের নিকট হতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ভর্তুকী হিসেবে প্রাপ্য হবে। উল্লেখ্য, ভর্তুকী বাবদ প্রাপ্য অর্থ বাদে কোনো ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহীতার ঋণ/বিনিয়োগ স্থিতি সীমার মধ্যে থাকলে সুদ/মনুাফার অর্থ আদায় হিসেবে বিবেচিত হবে;
খ) সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ত্রৈমাসিক পরবর্তী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘এসএমই এন্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস্ ডিপার্টমেন্ট’ এ বিগত তিন মাসে প্রদত্ত ঋণ/বিনিয়োগের বিষয়ে সংযোজনী-৩ অনুযায়ী তথ্য সরবরাহ করতঃ উক্ত বিভাগের অনাপত্তি পত্রসহ বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘একাউন্টস এন্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্ট’ বরাবরে সুদ/মুনাফা বাবদ ভর্তুকীর জন্য আবেদন করবে;
গ) একাউন্টস এন্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্ট এরূপ আবেদন যাচাইপূর্বক ভর্তুকী বাবদ প্রাপ্য সুদ/মুনাফার অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চলতি হিসাবে জমা করবে;
ঘ) ঋণ/বিনিয়োগের উপর আরোপিত সুদ/মুনাফার মধ্যে গ্রাহক কর্তৃক প্রদেয় অংশ আলোচ্য নীতিমালা অনুযায়ী যথাসময়ে আদায়/পরিশোধিত না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান সরকারের নিকট হতে সুদ/মুনাফা বাবদ ভর্তুকীর অর্থ প্রাপ্য হবে না। এক্ষেত্রে, এর সমুদয় দায় গ্রাহকের উপর বর্তাবে এবং এধরনের ঋণ/বিনিয়োগ বিষয়ে ব্যাংক নিজস্ব নীতিমালায় ব্যব¯া’ গ্রহণ করবে।
ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারা এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩ এর ১৮ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হলো।
এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।
সংযোজনীঃ বর্ণনা মোতাবেক।

Source: https://www.bb.org.bd/mediaroom/circulars/smespd/apr132020smespd01.pdf

Special Policy on Loan Rescheduling and One Time Exit. Ref: BRPD Circular Letter No. 07 dated 19-Mar-2020.

March 9th, 2020 by

ঋণ পুনঃতফসিল ও এককালীন এক্সিট সংর্কান্ত বিশেষ নীতিমালা।

শিরোনামোক্ত বিষয়ে বিআরপিডি সার্কুলার নং-০৫, তারিখ- ১৬ মে ২০১৯ এবং বিআরপিডি সার্কুলার লেটার নং-০৬, তারিখ- ১৯ মে ২০১৯ এর প্রতি আপনাদের দৃষ্টি আকষর্ণ করা যাচ্ছে। উক্ত সার্কুলার লেটারের মাধয্মে বিআরপিডি সার্কুলার নং-০৫/২০১৯ বর ৭(ক)নং শর্তনিম্নরূপভাবে প্রতিস্থাপন করা হয়ঃ
‘‘৬(ক) সংশ্লিষ্ট ঋণসমূহ ‘বসবমব’ মানে ɢেণিকরণ করতে হবে। তবে, ঁক্ত ঋণসমূহের বিপরীতে ৩১ ডিসেমব্র ২০১৮ তারিখ ভিত্তিক ɢেণিমান বিবেচনায় ɛয়োজনীয় ɛভিশন সংরক্ষণ করতে হবে। ɛকৃত আদায় বয্তিরেকে সংরক্ষিত ɛভিশন কোনভাবের আয় খাতে স্থানান্তর করা যাবে না। ঋণের যে পরিমাণ ধংশ আদায় হবে আনুপাতিক হারে ɛভিশনের সে পরিমাণ ধংশ আয় খাতে স্থানান্তর করা যেতে পারে। সংশ্লিষ্ট ঋণসমূহ ‘বসবমব’ মান বিবেচনায় আবশিয্ক ɛভিশনের সমপরিমাণ ɛভিশন General Provision হিসেবে বিবেচনা করা যাবে ববং ধবশিষ্ট ধংশ Specific Provision হিসেবে সংরক্ষণ করতে হবে।’’
বক্ষণে, ব্যাংকসমূহের মূলধন সংরক্ষণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ব মর্মেসিদ্ধান্ত র্গহণ করা হয়েছে যে, ঋণ পুনঃতফসিল ও এককালীন এক্সিট সংμান্ত বিআরপিডি সার্কুলার নং-০৫/২০১৯ এর আওতায় পুনঃতফসিলকৃত/এককালীন এক্সিট সুবিধাপ্রাপ্ত ঋণসমূহ ‘এসএমএ’ মানে শ্রেণিকরণ করতে হবে। উক্ত ঋণসমূহের বিপরীতে ৩১ ডিসেমব্র ২০১৮ তারিখ ভিত্তিক ɢেণিমান বিবেচনায় ɛয়োজনীয় ɛভিশন হিসাবায়নপূর্বক এর ৫০% জেনারেল প্রভিশন হিসেবে সংরক্ষণ করতে হবে। তবে, ব্যাংক কর্তৃক ইতিপূর্বে রক্ষিত প্রভিশন এর পরিমাণ ৫০% এর অতিরিক্ত হলে তা Specific Provision হিসেবেই সংরক্ষণ করতে হবে। প্রকৃত আদায় ব্যতিরেকে রক্ষিত প্রভিশন কোনভাবেই আয় খাতে স্থানান্তর করা যাবে না।
এতদ্বারা, বিআরপিডি সার্কুলার লেটার নং-০৬, তারিখ- ১৯ মে ২০১৯ এ প্রদত্ত নির্দেশনা বাতিল করা হলো।
ব নিদেশনার্ ধবিলমেব্ কাযকর্র হবে।
ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ সার্কুলার লেটার জারি করা হলো।

Source: https://www.bb.org.bd/mediaroom/circulars/brpd/mar192020brpdl07.pdf

Rationalization of Rate of Interest/Profit on Lending/Investment. Ref: BRPD Circular No. 03 dated 24-Feb-2020.

February 24th, 2020 by

ঋণ/বিনিয়োগ এর সুদ/মুনাফা হার যৌক্তিকীকরণ প্রসংগে।

লক্ষ্য করা গিয়েছে যে, বর্তমানে ব্যাংকের ঋণ/বিনিয়োগ এর উচ্চ সুদ/মুনাফা হার দেশের ক্ষুদ্র, মাঝারী ও বৃহৎ শিল্পসহ ব্যবসা ও সেবা খাতের বিকাশে প্রধান অন্তরায় হিসাবে দাঁড়িয়েছে। ব্যাংক ঋণ/বিনিয়োগ এর সুদ/মুনাফা হার উচ্চ মাত্রার হলে সংশ্লিষ্ট শিল্প, ব্যবসা ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানসমূহের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পায় এবং উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতকরণে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়। ফলে শিল্প, ব্যবসা ও সেবা প্রতিষ্ঠানসমূহ কখনো কখনো প্রতিকূল পরিস্থিতির সম্মুখীন হয় বিধায় সংশ্লিষ্ট ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহিতাগণ যথাসময়ে ব্যাংক ঋণ/বিনিয়োগ পরিশোধে সমর্থ হয় না। ব্যাংকিং খাতে ঋণ শৃংখলা বিঘিœত হয় এবং সার্বিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়।
২। বর্ণিত প্রেক্ষাপটে শিল্প, ব্যবসা ও সেবা প্রতিষ্ঠানসমূহের স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে অধিক সক্ষমতা অর্জনসহ শিল্প ও ব্যবসা বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, ঋণ/বিনিয়োগ পরিশোধে সক্ষমতা এবং কাক্সিক্ষত জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন এর লক্ষ্যে নিম্নবর্ণিত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে:
(ক) ক্রেডিট কার্ড ব্যতীত অন্যান্য সকল খাতে অশ্রেণিকৃত ঋণ/বিনিয়োগ এর উপর সুদ/মুনাফা হার সর্বোচ্চ ৯% নির্ধারণ করা হলো;
(খ) কোন ঋণ/বিনিয়োগ এর উপর উল্লিখিতভাবে সুদ/মুনাফা হার ধার্য করার পরও যদি সংশ্লিষ্ট ঋণ/বিনিয়োগ গ্রহিতা খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হয় সেক্ষেত্রে যে সময়কালের জন্য খেলাপি হবে অর্থাৎ মেয়াদী ঋণ/বিনিয়োগ এর ক্ষেত্রে খেলাপি কিস্তি এবং চলতি মূলধন ঋণ/বিনিয়োগ এর ক্ষেত্রে মোট খেলাপি ঋণ/বিনিয়োগ এর উপর সর্বোচ্চ ২% হারে দন্ড সুদ/অতিরিক্ত মুনাফা আরোপ করা যাবে;
(গ) প্রি-শিপমেন্ট রপ্তানি ঋণের বিদ্যমান সর্বোচ্চ সুদ/মুনাফা হার ৭% অপরিবর্তিত থাকবে;
(ঘ) উপরে ২(ক) এ বর্ণিত সুদ/মুনাফা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ২(খ) এ বর্ণিত দন্ডসুদ/অতিরিক্ত মুনাফা ব্যতিরেকে ঋণ/বিনিয়োগ এর উপর অন্য কোন সুদ/মুনাফা/দন্ডসুদ/অতিরিক্ত মুনাফা আরোপ করা যাবে না।
৩। চলতি বছর হতে ব্যাংকের মোট ঋণ/বিনিয়োগ স্থিতির মধ্যে এসএমই’র ম্যানুফ্যাকচারিং খাতসহ শিল্প খাতে প্রদত্ত সকল ঋণ/বিনিয়োগ স্থিতি অব্যবহিত পূর্ববর্তী ৩ বছরের গড় হারের চেয়ে কোনভাবেই কম হতে পারবে না।
৪। ১ এপ্রিল, ২০২০ তারিখ হতে এ নির্দেশনা কার্যকর হবে।
৫। ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ সার্কুলার জারি করা হলো।

Source: https://www.bb.org.bd/mediaroom/circulars/brpd/feb242020brpd03.pdf

Compliance of the directions related to considering Personal Guarantee as Supplementary Collateral. Ref: SMESPD Circular Letter No. 01 dated 19-Dec-2019.

December 19th, 2019 by

Prudential Regulations for Consumer Financing (Regulation for House finance). Ref: BRPD Circular Letter No. 25 dated 19-Nov-2019.

November 19th, 2019 by

Prudential Regulations for Consumer Financing (Regulation for House finance)

Please refer to Regulation 23 of Prudential Regulations for Consumer Financing, circulated vide BRPD Circular No. 07, dated November 03, 2004 and BRPD Circular No. 01, dated January 01, 2015.

02. Considering the price hike of construction materials for housing/real estate and in the context of growing higher middle class group, rising per capita income and increasing demand for housing, it has been decided to amend the Regulation 23 of Prudential Regulations for Consumer Financing which will now stands as under:

Regulation-23:

‘‘The maximum per party limit in respect of housing finance by the banks will be Tk.20 (Twenty) million. The housing finance facility shall be provided at a maximum debt equity ratio of 70:30. ”

The above amendments shall be made effective immediately.

Source: https://www.bb.org.bd/mediaroom/circulars/brpd/nov192019brpdl25e.pdf