TARGET SETTING OF AGRI/RURAL CREDIT & ITS IMPLEMENTATION BY THE PRIVATE AND FOREIGN BANKS. REF: ACD CIRCULAR NO. 01 DATED 16.05.2011.

ACSPD CIRCULAR NO. 10 DATED 29.09.2008 এর প্রতি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে।

আপনারা অবগত আছেন, অভ্যন্তরীণ খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং পল্লী এলাকায় উৎপাদনমুখী কর্মকান্ডের প্রসারের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র বিমোচনে কৃষি খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । অথচ এ খাতে ঋণ ও অগ্রীমের জন্য সুবিধাভোগী পর্যায়ে কার্যত শুধুমাত্র রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলির ওপর নির্ভর করতে হয়। কারণ, অনেক বেসরকারী ও বিদেশী ব্যাংকেরই কৃষি/পল্লী খাতে কোনো বিনিয়োগ নেই; অনেকের নামমাত্র বিনিয়োগ থাকলেও তাদের মোট ঋণ ও অগ্রীমের তুলনায় এই পরিমাণ সন্তোষজনক নয়। কৃষি উৎপাদনে কাক্সিক্ষত প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং অভ্যন্তরীন অর্থনীতির ভিত্তিকে শক্তিশালী করার স্বার্থে কৃষি/পল্লী ঋণ কার্যক্রমে সকল ব্যাংকের যৌক্তিক মাত্রায় অংশগ্রহণ সমীচীন।

এ প্রেক্ষিতে, কৃষি/পল্লী খাতে সকল ব্যাংকের ন্যূনতম অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পরিমাণ ঋণ ও অগ্রীম সরবরাহ করে এ খাতে কাক্সিক্ষত প্রবৃদ্ধি অর্জনের পাশাপাশি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার এবং অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে বেসরকারী ও বিদেশী ব্যাংকসমূহের কৃষি/পল্লী ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের বিষয়ে নিম্নরূপ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে:

ক) মাঠ পর্যায়ে কৃষি/পল্লী ঋণের চাহিদা, এ খাতে ঋণ বিতরণে ব্যাংকের সামর্থ্য ও দক্ষতা, ব্যাংকের মোট ঋণ ও অগ্রীমের পরিমাণ এবং পূর্ববর্তী অর্থবছরে এ খাতে ব্যাংকের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ও অর্জন বিবেচনায় নিয়ে এখন থেকে ব্যাংকসমূহ প্রত্যেক অর্থবছরের কৃষি/পল্লী ঋণ বিতরণের একটি যুক্তিসংগত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করবে। তবে এই লক্ষ্যমাত্রা পূর্ববর্তী অর্থবছরের ৩১ মার্চ তারিখের অবস্থাভিত্তিক মোট ঋণ ও অগ্রীমের ২.৫% -এর চেয়ে কম হবে না।

খ) কৃষি/পল্লী ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ অর্জনের স্বার্থে প্রত্যেক ব্যাংক ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে স্ব-স্ব ব্যাংকের আনুপাতিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবে। কোনো ত্রৈমাসিকে আনুপাতিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলে, অনর্জিত অংশ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক পরবর্তী ত্রৈমাসিকে বাংলাদেশ ব্যাংকে এক বছরের জন্য জমা করতে পারে।

গ) অর্থবছর শেষে কোনো ব্যাংকের কৃষি/পল্লী ঋণ বিতরণ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে না পারলে; অনর্জিত অংশের সমপরিমান অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট এক বছরের জন্য বাধ্যতামূলক ভাবে জমা রাখতে হবে। তবে ব্যাংকের মোট কৃষি/পল্লী ঋণ বিতরণ লক্ষ্যমাত্রা যাই হোক না কেন, তাদের মোট কৃষি/পল্লী ঋণ বিতরণ পূর্ববর্তী অর্থবছরের ৩১ মার্চ তারিখের অবস্থা ভিত্তিক মোট ঋণ ও অগ্রীমের ২.৫% বা তার বেশী হলে তাদের ক্ষেত্রে প্রতিকারমূলক এ ব্যবস্থা প্রযোজ্য হবে না।

ঘ) বাংলাদেশ ব্যাংক উপরোক্ত উপায়ে জমাকৃত অর্থের ওপর ব্যাংক হারে (বর্তমানে ৫%) সুদ প্রদান করবে।

ঙ) উপরোক্ত প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যাংকসমূহ কর্তৃক বাংলাদেশ ব্যাংকে দাখিলকৃত কৃষি/পল্লী ঋণ বিতরণের বিবরণীর সঠিকতা যাচাই করে নেয়া হবে।

চ) কোনো ব্যাংকের ঋণ ও অগ্রীম প্রদানের ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের পৃথক নির্দেশনা থাকলে সেই ব্যাংকের বা বিশেষ কোনো কারণে কোনো নির্দিষ্ট ব্যাংকের ক্ষেত্রে অর্থ জমার উপরোক্ত বাধ্যবাধকতা শিথিল করা যেতে পারে।

ছ) উপরোক্ত সিদ্ধান্ত ২০১১-২০১২ অর্থবছরের ০১ জুলাই ২০১১ তারিখ থেকে কার্যকর হবে ।

অনুগ্রহপূর্বক প্রাপ্তি স্বীকার করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *