SHARE HOLDING AND CAPITAL MARKET EXPOSURE LIMITS FOR BANK-COMPANIES. REF: DOS CIRCULAR NO. 04 DATED 15.06.2010.

ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ এর ২৬(২) ধারায় কোন ব্যাংক কোম্পানী কর্তৃক অন্যান্য কোম্পানীর শেয়ার ধারণের ক্ষেত্রে সামষ্টিক বা এককভাবে কোন কোম্পানীর শেয়ার ধারণের সর্বোচ্চ সীমার বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। এছাড়াও শেয়ার/ডিবেঞ্চারের বিপরীতে ঋণ প্রদান সংক্রান্ত বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক সময় সময়ে নির্দেশনা জারী করেছে। ইতোমধ্যে সেন্ট্রাল ডিপোজিটরী পদ্ধতি চালু হয়েছে এবং বর্তমানে বিভিন্ন ব্যাংক কর্তৃক মার্চেন্ট ব্যাংকিং এবং ব্রোকারেজ কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে পৃথক সাবসিডিয়ারী কোম্পানী গঠন করা হয়েছে বা প্রক্রিয়াধীন আছে। এমতাবস্থায়, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নিবিড় পরিবীক্ষণের সুবিধার্থে এবং কতিপয় বিষয়ে অস্পষ্টতা দূরীকরণার্থে ব্যাংকগুলো কর্তৃক শেয়ার ধারণ এবং পুঁজিবাজারে Exposure এর ক্ষেত্রে অনুসরণীয় নিম্নরূপ নির্দেশনাবলী জারী করা হলোঃ

১) পৃথক সাবসিডিয়ারী কোম্পানী গঠন ব্যতিরেকে ০১/১০/২০১০ তারিখ থেকে কোন ব্যাংক-কোম্পানী মার্চেন্ট ব্যাংকিং বা ব্রোকারেজ সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেনা।

২) (ক) কোন ব্যাংক-কোম্পানী কর্তৃক অন্যান্য কোম্পানীর শেয়ার ধারণের ক্ষেত্রে ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ এর ২৬(২) ধারার বিধান অনুসারে নির্ধারিত একক ও সামষ্টিক সীমার অনুসরণ নিশ্চিত করতে হবে।

তবে, উক্ত ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে ব্যাংকের নিকট গচ্ছিত কিংবা সেন্ট্রাল ডিপোজিটরীতে রক্ষিত শেয়ার যার বিপরীতে সার্ভিস চার্জ/কমিশন/অন্যান্য ফিস ব্যতীত সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের অপর কোন দাবী অথবা দলিলাদি সম্পাদনের মাধ্যমে কোনরূপ দাবী বা অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি এরূপ শেয়ার ‘গচ্ছিত গ্রহণ’ হিসেবে বিবেচিত হবেনা।

(খ) কোন একক কোম্পানীর বা সামষ্টিক শেয়ার ধারণের ক্ষেত্রে ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ এর ২৬(২) ধারায় বর্ণিত সীমাগুলোর পরিপালন নিশ্চিত করার ধারণকৃত শেয়ারের বাজারমূল্য বিবেচনায় আনতে হবে।

৩) (১) পুঁজিবাজারে কোন ব্যাংক-কোম্পানীর মোট exposure ঐ ব্যাংক-কোম্পানীর মোট দায়ের ১০% এর বেশী হবেনা।

মোট exposure নির্ণয়ের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত উপাদানগুলো অন্তর্ভুক্ত হবেঃ

(ক) ব্যাংকের নিজস্ব ক্রয়কৃত শেয়ার, ডিবেঞ্চার ও বন্ড, মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটের এর বাজারমূল্য;

(খ) ব্রোকারেজ বা মার্চেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে গঠিত নিজস্ব সাবসিডিয়ারী কোম্পানী বা কোম্পানীগুলোতে প্রদত্ত ঋণের স্থিতি (তলবী ও মেয়াদী ঋণের ক্ষেত্রে) ও মঞ্জুরীকৃত ঋণসীমা (চলমান ঋণের ক্ষেত্রে);

(গ) ব্রোকারেজ বা মার্চেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে গঠিত নিজস্ব সাবসিডিয়ারী কোম্পানী বা কোম্পানীগুলো কর্তৃক গৃহীত ঋণের বিপরীতে প্রদত্ত গ্যারান্টির ১০০%;

(ঘ) ব্রোকারেজ বা মার্চেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে গঠিত অপর কোন কোম্পানীকে বা প্রতিষ্ঠানকে অথবা কোন ব্যক্তিকে প্রদত্ত ঋণের স্থিতি (তলবী ও মেয়াদী ঋণের ক্ষেত্রে) ও মঞ্জুরীকৃত ঋণসীমা (চলমান ঋণের ক্ষেত্রে) এবং গ্যারান্টির ১০০%;

(ঙ) সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন হতে লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোন স্টক ডিলারকে (যে শুধুমাত্র নিজের জন্য শেয়ার/ডিবেঞ্চার ক্রয় বিক্রয় করে থাকে) শেয়ার/ডিবেঞ্চারের বিপরীতে প্রদানকৃত ঋণ;

তবে, শেয়ার/ডিবেঞ্চার ক্রয় বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে কোন স্টক ডিলারকে স্টক এক্সচেঞ্জের তালিকাভুক্ত শেয়ার/ডিবেঞ্চার এর বিপরীতে ব্যাংকার-কাস্টমার সম্পর্কের ভিত্তিতে ও অন্যান্য ব্যাংকিং নিয়মাচার পালন এবং প্রয়োজনীয় বন্ধকী দলিলাদি সম্পাদনপূর্বক ‘এ’ ও ‘বি’ গ্রুপভুক্ত শেয়ার/ডিবেঞ্চার এর অনুকূলে যথাক্রমে বিগত ৬(ছয়) মাসের গড় বাজার মূল্যের সর্বাধিক ৭০% এবং ৬০% পর্যন্ত ঋণ প্রদান করা যাবে যার সর্বোচ্চ সীমা উভয় গ্রুপভুক্ত শেয়ার/ডিবেঞ্চার এর অনুকূলে মোট ১.০০ (এক) কোটি টাকা।

৩) (২) পুঁজিবাজারে কোন ব্যাংক-কোম্পানীর মোট exposure নির্ণয়ের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত উপাদানগুলো অন্তর্ভুক্ত হবেনাঃ

(ক) নিজস্ব সাবসিডিয়ারীতে প্রদত্ত মূলধন;

(খ) ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ অনুসারে সহজে বিনিময়যোগ্য সম্পদ সংরক্ষণে ব্যবহারোপযোগী অনুমোদিত সম্পত্তি নিদর্শন-পত্র;

(গ) বিশেষ উদ্দেশ্যে গঠিত এবং স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত নয় এরূপ Public Sector Enterprise এর শেয়ার/ডিবেঞ্চার;

(ঘ) অন্যান্য তফসিলি ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত Tier 1 এবং Tier 2 মূলধনে বিবেচনাযোগ্য ইন্সট্রুমেন্টস;

(ঙ) সেন্ট্রাল ডিপোজিটরী (বিডি) লিঃ, স্টক এক্সচেঞ্জগুলোর শেয়ার ইত্যাদি।

৪) ব্রোকারেজ বা মার্চেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে গঠিত নিজস্ব সাবসিডিয়ারী কোম্পানী বা এরূপ অন্য কোন কোম্পানীকে বা প্রতিষ্ঠানকে অথবা কোন ব্যক্তিকে ঋণ সুবিধা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ব্যাংকিং নিয়মাচার পালনসহ বিআরপিডি সার্কুলার নং-০৫/২০০৫ এ নির্দেশিত একক ঋণ গ্রহীতার সর্বোচ্চ সীমার অনুসরণ নিশ্চিত করতে হবে।

৫) ব্যাংক-কোম্পানীগুলোকে তাদের প্রতিমাসের শেষ কার্যদিবস ভিত্তিক শেয়ার ধারণ এবং পুঁজিবাজারে exposure সংক্রান্ত বিবরণী পরবর্তী মাসের ১০ (দশ) তারিখের মধ্যে নির্ধারিত ছকে ডিপার্টমেন্ট অব অফসাইট সুপারভিশনে দাখিল করতে হবে। এ প্রস্ততকৃত ছকের Soft copy অত্র বিভাগ থেকে সংগ্রহ করার জন্য ব্যাংকগুলোকে পরামর্শ দেয়া যাচ্ছে। উল্লেখ্য যে, পূরণকৃত ছকের Soft copy দাখিলের সময় প্রয়োজনীয় ফরওয়ার্ডিং, TH&E এবং BTH&E বিবরণীগুলোর হার্ড কপিও অত্র বিভাগে দাখিল করতে হবে।

উপরিল্লিখিত নির্দেশনাগুলো অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং ডিবিওডি সার্কুলার নং-০৪/১৯৯৬, ০১/১৯৯৭, ০১/১৯৯৮, ০৫/২০০১ ও ০৬/২০০১ এবং ডিওএস সার্কুলার লেটার নং-১৩/২০০৯ এর কার্যকারিতা বাতিল বলে গন্য হবে।

অনুগ্রহপূর্বক প্রাপ্তি স্বীকার করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *