REFINANCE SCHEME FOR 10 TK ACCOUNT HOLDERS, SMALL/ MARGINAL/ LANDLESS/ NATURAL DISASTER AFFECTED FARMERS AND MICRO/ SMALL TRADERS UNDER FINANCIAL INCLUSION PROGRAM. REF: GBCSRD CIRCULAR NO. 01 DATED 14.05.2014.

আর্থিক সেবাবঞ্চিত তৃণমূল জনগোষ্ঠিকে প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক সেবাভুক্তির আওতায় নিয়ে আসার ১০ টাকার হিসাবধারী ক্ষুদ্র/প্রান্তিক/ভূমিহীন কৃষকসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত নিম্ন আয়ের পেশাজীবী এবং প্রান্তিক/ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আয় উৎসারী কর্মকান্ডকে বিস্তৃত করার জন্য এবং ১০ টাকার হিসাবগুলো সচল রাখার মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকান্ডকে অধিকতর গতিশীল করার উদ্দেশ্যে তাদেরকে সহজতর শর্তে ঋণ প্রদানের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক নিজস্ব উৎস থেকে ২০০ কোটি টাকার একটি আবর্তনশীল পুনঃঅর্থায়ন তহবিল (Revolving Refinance fund) গঠন করেছে।

১. আলোচ্য তহবিল হতে পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত নীতিমালা অনুস্মরণীয় হবেঃ

১.১ ক্ষুদ্র/প্রান্তিক/ভূমিহীন কৃষকঃ এ নীতিমালার আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক বলতে বুঝাবে যে সব কৃষকের নিজ নামে সর্বোচ্চ ২.৪৭ একর বা তার কম পরিমাণ ভুমি রয়েছে।

১.২ প্রান্তিক/ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীঃ প্রান্তিক/ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বলতে বুঝাবে আর্থিক সেবা বঞ্চিত সমাজের অতি স্বল্প আয়ের পেশাজীবী /যা এই নীতিমালার অন্তর্ভুক্ত স্কীমের আওতায় নিম্নে উল্লেখিত ২.১ এবং ২.৩ নং অনুচ্ছেদে বর্নিত খাতসমূহ এরূপ যারা ১০ টাকার হিসাবভূক্ত হবেন তারা এই স্কীমের আওতায় ঋণ গ্রহণ করতে পারবে।

২.স্কীমের আওতাঃ

২.১ এ স্কীমের আওতায় ঋণ সুবিধা গ্রহণের জন্য আবেদনকারীর আবশ্যিকভাবে ন্যুনতম ১০ টাকার হিসাব থাকতে হবে।

২.২ সমাজের ক্ষুদ্র/প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষক এবং কৃষিও কৃষিজাত পণ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও ব্যক্তিবর্গ এ ঋণ সুবিধার আওতায় আসবে।

২.৩ পাড়া/মহল্লা/গ্রাম ভিত্তিক ক্ষুদ্র/অতিক্ষুদ্র (Small/Micro) উদ্যোক্তা ও পেশাজীবি, যেমন: মুদি ও মনোহারী পণ্যের দোকানী, চর্মকার, স্বর্ণকার, ক্ষৌরকার, কামার, কুমার, জেলে, দর্জি, ভ্রাম্যমান কাপড়ের দোকান, ফ্লেক্সিলোড সেবা প্রদানকারী, তথ্য সেবা প্রদানকারী/ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী, ভাসমান খাবারের দোকান, ফুলবিক্রেতা, পত্রিকাবিক্রেতা, চা/পান বিক্রেতা, বইয়ের দোকান, ঠোঙা/মোড়ক প্রস্তুতকারী, হকার/ফেরিওয়ালা, ফল/সব্জি বিক্রেতা, রিক্সাচালক/ভ্যানচালক, ইলেক্ট্রিক/ইলেকট্রনিক যন্ত্র মেরামতকারী, ইলেক্ট্রিশিয়ান, কাঠমিস্ত্রি, রাজমিস্ত্রী, রডমিস্ত্রী, রংমিস্ত্রী, গ্রিলমিস্ত্রী, প্লাম্বার, হাঁস -মুরগী/গরু- ছাগল পালন, আচার/পিঠা প্রস্তুত, সূচিশিল্প, ব্লক-বাটিকের কাজ, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প, হস্তশিল্প, কনফেকশনারীসহ খাবার প্রস্তুতকারী উদ্যোক্তা, ক্ষুদ্র তাঁতী, ভিডিপি সদস্য(যারা বিভিন্ন আয় উৎসারী কর্মকান্ড- সবজি চাষ, বৃক্ষরোপণ, মৎস চাষ, গবাদি পশুপালন, হাসমুরগী পালন ইত্যাদি কাজে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত) এবং অনুরূপ যে কোন ধরনের আয় উৎসারী কর্মকান্ডে জড়িত ব্যক্তি।

২.৪ যে কোন দুর্যোগে (প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট) ক্ষতিগ্রস্ত (যেমন: নদীভাঙ্গন, জলোচ্ছাস, ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, মঙ্গা, অগিড়বকান্ড, ভূমিকম্প, ভবনধ্বস ইত্যাদি) ক্ষুদ্র/ প্রান্তিক /ভূমিহীন কৃষক, চর ও হাওড় এলাকায় বসবাসকারী এবং ২.৩ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত খাতসহ অন্যান্য পেশার স্বল্প আয়ের জনগোষ্ঠি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এ ঋণ সুবিধা পাবে।

২.৫ প্রতিবন্ধি ও মহিলা উদ্যোক্তাদের ২.৩ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত যে কোন ধরনের আয় উৎসারী কর্মকান্ডে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ঋণ সুবিধা প্রদান করতে হবে।

২.৬ নিম্নোক্ত ব্যক্তি/ ব্যক্তিবর্গ এ স্কীমের আওতায় ঋণ সুবিধা পাবেন নাঃ-

ক. ইতোপূর্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের যে কোন পুনঃঅর্থায়ন স্কীমের আওতায় ঋণ সুবিধা গ্রহণকারী,

খ. সরকারের সুদ ক্ষতিপূরণ সুবিধার আওতায় রেয়াতি সুদে ঋণ সুবিধা গ্রহণকারী,

গ. সরকারী প্রকল্পসমূহের আওতায় ভর্তুকী/রেয়াতি সুদে যে কোন ব্যাংক হতে ঋণ সুবিধা গ্রহণকারী এবং

ঘ. খেলাপী ঋণগ্রহীতা।

৩. এনজিও-এমএফআই লিংকেজঃ ব্যাংকগুলো সরাসরি কিংবা মাইক্রোেডিট রেগুলেটরী অথরিটি এর অনুমোদনপ্রাপ্ত ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর (MFI)) সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে লিংকেজ প্রোগ্রামের মাধ্যমে এ স্কীমের আওতায় মুনাফার অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ১০ টাকার হিসাবধারীদের মধ্যে এ ঋণ বিতরণ করতে পারবে। এক্ষেত্রে, সংশ্লিষ্ট ব্যাংক MFI নির্বাচন করবে। MFI গুলো ১০ টাকার হিসাবধারীদের মধ্যে ঋণ বিতরণ, তদারকি, আদায় ও ঋণের সদ্ব্যবহার নিশ্চিতকরণের দায়িত্ব পালন করবে। ব্যাংকগুলোকে MFI গুলোর সাথে সম্পাদিত চুক্তিপত্রের কপি প্রথমবার পুন:অর্থায়নের দাবীর সঙ্গে মহাব্যবস্থাপক, গ্রিন ব্যাংকিং এন্ড সিএসআর ডিপার্টমেন্ট এর বরাবর প্রেরণ করতে হবে।

৪. নতুন গ্রাহকের হিসাব খোলাঃ এ স্কীমের আওতায় ঋণ সুবিধা গ্রহণকারী সকল গ্রাহকই হবে বিদ্যমান ১০ টাকা হিসাবধারী। নতুন গ্রাহকদের আবশ্যিকভাবে ন্যূনতম ১০/- টাকা জমা প্রদানপূর্বক ব্যাংক হিসাব খুলতে হবে ।

৫. প্রকৃত ঋণ গ্রহীতা সনাক্তকরণঃ ব্যাংক ও MFI গুলো ঋণ আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম নিবন্ধন সনদ এবং পৌরসভার মেয়র/কমিশনার অথবা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/সদস্য অথবা স্থানীয় স্কুল/কলেজের প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত পেশার প্রত্যয়নপত্র অথবা ব্যাংকের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তির প্রত্যয়নপত্র/ ভিডিপি সনদপত্র এর ভিত্তিতে প্রকৃত ঋণ গ্রহীতা সনাক্ত করবে।

৬. জামানত/নিশ্চয়তাঃ এ স্কীমের আওতায় ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে কোন নিরাপত্তা জামানত নেয়া যাবে না। তবে, প্রত্যেক ঋণ গ্রহীতার ঋণের বিপরীতে স্থানীয় পর্যায়ে একজন প্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশী নাগরিকের নিকট হতে ব্যক্তিগত নিশ্চয়তা (Personal Guarantee) গ্রহণ করতে হবে। ব্যাংক- ক্ষুদ্র ঋণ সংস্থা লিংকেজ ঋণের ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র ঋণ সংস্থা তাদের প্রচলিত নিয়মে ব্যক্তিগত নিশ্চয়তার বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

৭.একক ঋণসীমাঃ এই তহবিলের আওতায় একক গ্রাহককে সর্বোচ্চ ৫০,০০০/-(পঞ্চাশ হাজার) টাকা পর্যন্ত ঋণ প্রদান করা যাবে।

৮.সমন্বিত অর্থায়নঃ এ স্কীমের আওতায় কোন একটি আয় উৎসারী কর্মকান্ড বা প্রকল্পে সমন্বিত অর্থায়নের মাধ্যমে নিম্নোক্ত শর্তাধীনে ঋণ সুবিধা প্রদান করা যাবে:

৮.১ একটি (Single) আয় উৎসারী কর্মকান্ড বা প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিবর্গ (Group of persons) এর সমন্বয়ে গঠিত গ্রুপ ভিত্তিক অর্থায়ন করা যাবে; গ্রুপভুক্ত সদস্যদের অভিনড়ব কিংবা পৃথক পৃথক আয় উৎসারী কর্মকান্ডের বিপরীতে ক্ষুদ্র ঋণ সংস্থার প্রচলিত নিয়মে একক ঋণ প্রদান করা হবে।

৮.২ এক্ষেত্রে সর্বনি¤ড়ব ৩(তিন) জন এবং সর্ব্বোচ্চ ১০ (দশ) সদস্যবিশিষ্ট গ্রুপকে ঋণ প্রদান করা যাবে;

৮.৩ গ্রুপ অর্থায়নের ক্ষেত্রে মাথাপিছু সর্বোচ্চ ৫০,০০০/-(পঞ্চাশ হাজার) টাকা ঋণ সুবিধা প্রদান করা যাবে।

৮.৪ গ্রুপ ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে গ্রুপের সকল সদস্যই একক ও যৌথভাবে ব্যাংকের নিকট/ ক্ষুদ্র ঋণ সংস্থার নিকট দায়বদ্ধ থাকবে।

৯. পুনঃঅর্থায়নের সুদের হারঃ বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক পুনঃঅর্থায়নকৃত ঋণের সুদের হার প্রচলিত ব্যাংক রেট এর সমহারে (বর্তমানে ৫%) হবে।

১০. পুনঃঅর্থায়নকৃত ঋণ পরিশোধের সময়কালঃ ব্যাংকসমূহ কর্তৃক পুনঃঅর্থায়ন গ্রহণের তারিখ হতে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে ১ বছর এর মধ্যে সুদসহ আসল পরিশোধ করতে হবে।

১১.গ্রাহক পর্যায়ে ঋণের সুদ হারঃ ।

১১.১ গ্রাহক পর্যায়ে এ তহবিল হতে ঋণের বিপরীতে ব্যাংকসমূহ বার্ষিক সর্বোচ্চ ১২% হারে [প্রচলিত ব্যাংক রেট (বর্তমানে ৫%) + সর্বোচ্চ ৭%]সুদ আদায় করবে।

১১.২ এমএফআই লিংকেজ এর মাধ্যমে ঋণ বিতরণ করার ক্ষেত্রে ব্যাংক এমএফআই থেকে সর্বোচ্চ ৭%[প্রচলিত ব্যাংক রেট (বর্তমানে ৫%) + সর্বোচ্চ ২%]হারে সুদ আদায় করবে।

১১.৩ এমএফআইসমূহ কর্তৃক প্রদত্ত ঋণের ক্ষেত্রে গ্রাহক পর্যায়ে সুদেরহার হবে সর্বোচ্চ ১৯% ।

১২..গ্রাহক পর্যায়ে ঋণ পরিশোধের সময়কাল ও সুদ হিসাবায়নঃ

১২.১ গ্রাহক পর্যায়ে ঋণ পরিশোধের (সুদসহ আসল) সময়কাল হবে ঋণের গ্রহণের তারিখ হতে অনধিক ১ বছর । যদি কোন গ্রাহক নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হন, তবে উক্ত গ্রাহকের পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা বাতিল বলে গণ্য হবে এবং ব্যাংক / এমএফআই কর্তৃক গ্রাহকের অনাদায়ী অর্থের উপর প্রচলিত সুদহার প্রযোজ্য হবে। তবে খেলাপী গ্রাহকের নিকট হতে কোন μমেই বিতরণকৃত ঋণের দ্বিগুনের বেশি অর্থ আদায়যোগ্য হবে না। এরূপ গ্রাহকের তালিকা ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে অত্র বিভাগে দাখিল করতে হবে।

১২.২ সকল ক্ষেত্রে গ্রাহক পর্যায়ে μমহ্রাসমান স্থিতির ভিত্তিতে (Reducing Balance Method) সুদ হিসাবায়ন করতে হবে।

১২.৩ সুদ হিসাবায়নের সময় কোন ধরণের লুকায়িত খরচ হিসাবায়ন করা যাবে না।

১২.৪ এ তহবিলের আওতায় গ্রাহকের বিতরণকৃত ঋণের বিপরীতে গ্রাহকের নিকট হতে কোন ধরণের সার্ভিস চার্জ আদায় করা যাবে না।

১২.৫ প্রদত্ত ঋণ মাসিক কিস্তিতে আদায়যোগ্য হবে। ব্যাংক- ক্ষুদ্র ঋণ সংস্থা লিংকেজ ঋণের ক্ষেত্রে ব্যাংক ও ক্ষুদ্র ঋণ সংস্থার মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী কিস্তি নির্ধারিত হবে।

১৩.ভর্তুকি: গ্রাহকদের কাছ থেকে বিতরণকৃত ঋণের সুদাসল আদায়ের পর আদায়কৃত আসলের বিপরীতে ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল হতে ৩.৫% হারে ভর্তুকি সুবিধা পাবে। এমএফআই এর মাধ্যমে বিতরণকৃত ঋণের ক্ষেত্রে ৩.৫% হারে বাংলাদেশ ব্যাংক হতে প্রাপ্ত ভর্তুকির মধ্যে ব্যাংক ১% এবং এমএফআই ২.৫% পাবে। তবে, নির্ধারিত মেয়াদ শেষে কোন ঋণ সম্পূর্ণ বা আংশিক অনাদায়ী থাকলে এবং খেলাপী ঋণের ক্ষেত্রে এ সুবিধা প্রযোজ্য হবে না।

১৩.১ সমুদয় ঋণ (সুদসহ) আদায়ের পর ব্যাংকসমূহ ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট ভর্তুকির দাবী উপস্থাপন করবে।

১৩.২ প্রাপ্ত ভর্তুকির দাবীসমূহ দ্বৈবচয়ন ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক পরিদর্শন করা হবে। পরিদর্শনে প্রাপ্ত ফলাফলের সঠিকতার শতকরা হার অনুযায়ী ভর্তুকির দাবী হিসাবায়ন করা হবে।

১৪. মনিটরিং ঃ ব্যাংক কর্তৃক সরাসরি ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে গ্রাহক পর্যায়ে ঋণ বিতরণ, আদায় এবং সদ্ব্যবহার সংক্রান্ত বিষয়াদি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক নিয়মিত মনিটরিং এর মাধ্যমে নিশ্চিত করবে।

১৫. পুনঃঅর্থায়ন গ্রহণের যোগ্যতা ও আবেদন প্রμিয়াঃ

১৫.১ আলোচ্য স্কীমের আওতায় তফসিলী ব্যাংকসমূহকে( শরীয়া ভিত্তিক ব্যাংক ব্যতীত) মহাব্যবস্থাপক, গ্রিন ব্যাংকিং এন্ড সিএসআর ডিপার্টমেন্ট, বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রধান কার্যালয়-এর সাথে একটি অংশগ্রহণ চুক্তি (Participation Agreement) সম্পাদন করতে হবে। এ চুক্তি মোতাবেক ব্যাংকগুলোকে সুদসহ আসল পরিশোধ নিশ্চিত করতে হবে মর্মে তাদেরকে আলাদাভাবে ডিপি নোট (প্রতিশ্রুতি পত্র) সম্পাদন করতে হবে।

১৫.২ ব্যাংকগুলো মাসিক ভিত্তিতে এ স্কীমের আওতায় বিতরণকৃত ঋণের বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট নির্ধারিত ছকে পুনঃঅর্থায়নের জন্য আবেদন করবে। সেক্ষেত্রে প্রতি মাসের ১০ (দশ) তারিখের মধ্যে পূর্ববর্তী মাসের পুনঃঅর্থায়নের আবেদন বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট দাখিল করতে হবে।

১৫.৩ ব্যাংকসমূহকে এ স্কীমের আওতায় বিতরণকৃত ঋণের ১০০% পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা প্রদান করা হবে। পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা তহবিলের পর্যাপ্ততার ভিত্তিতে প্রদেয় হবে।

১৫.৪ এমএফআই লিংকেজের ক্ষেত্রে উপকারভোগী/গ্রাহক পর্যায়ে ঋণ বিতরণ নিশ্চিতকরন সাপেক্ষে ব্যাংকসমূহ পুনঃঅর্থায়ন দাবী করতে পারবে।

১৬. আদায়ঃ পরিশোধসূচী অনুযায়ী নির্ধারিত তারিখে সুদসহ পুনঃঅর্থায়িত অর্থের পরিশোধযোগ্য কিস্তি বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের চলতি হিসাব থেকে আদায়/কর্তন করে নেয়া হবে।

১৭. অন্যান্যঃ বিতরণকৃত ঋণ আদায়ের সকল দায়-দায়িত্ব ঋণ বিতরণকারী ব্যাংকসমূহের উপর ন্যস্ত থাকবে।

এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অনুগ্রহপূর্বক প্রাপ্তি স্বীকার করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *