PROVIDING SUFFICIENT INFORMATION OF IMPORTED GOODS IN THE L/CS SUCH AS NAME, DESCRIPTION, QUANTITY, HS-CODE, PRICE ETC. FOR ENSURING PROPER MANAGEMENT & MONITORING THE RELEASE OF IMPORTED GOODS UNDER L/C AFTER COMPLETING CUSTOMS PROCEDURE. REF: FEPD CIRCULAR LETTER NO. 07 DATED 05.05.2014.

উপর্যুক্ত বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ০৭.০৪.২০১৪ তারিখের ১৭(২) শুঃ নীঃ ও বাঃ/২০০৫/৩১৪ নং পত্র (কপি সংযুক্ত) এর প্রতি আপনাদের মনোযোগ আকর্ষণ করা যাচ্ছে।

উক্ত পত্রের উল্লেখ মতে, বৈদেশিক বানিজ্যের সাথে সংশ্লিষ্ট বানিজ্যিক ব্যাংকগুলো অনেক ক্ষেত্রে আমদানির জন্য খোলা ঋণপত্র/এলসি-তে আমদানীয় পণ্যের নাম, বিবরণ, এইচএসকোড, মূল্য বিষয়ে যথাযথ তথ্য অন্তর্ভুক্ত করেনা; অধিকাংশ চালানের ক্ষেত্রে প্রোফর্মা ইনভয়েসে আমদানীয় পণ্যের নাম, বিবরণ সর্ম্পকে সুস্পষ্ট বর্ণনা থাকেনা। আবার প্রোফর্মা ইনভয়েসের ভিত্তিতে খোলা ঋণপত্রে আমদানীয় পণ্যের নাম, বিবরণ এর স্থানে পণ্যের নাম, বিবরণ প্রোফর্মা ইনভয়েস অনুযায়ী মর্মে উল্লেখ করা হয়ে থাকে। এসব ক্ষেত্রে পণ্য আমদানির পর কাস্টমস শুল্কায়নের জন্য আমদানি ডকুমেন্ট রিলিজ করার সময় সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শুধু ঋণপত্র/এলসি প্রত্যায়ন করে, প্রোফর্মা ইনভয়েস প্রত্যায়ন করেনা। ফলে আমদানিকৃত পণ্যের যথার্থতা যাচাই করতে কাস্টমস কতৃপক্ষের সমস্যা সৃষ্টি হয় এবং আমদানিতে মিথ্যা ঘোষনা প্রদানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। তাছাড়াও অনেক ক্ষেত্রে আমদানির পর আমদানিকৃত পণ্যগুলো দীর্ঘদিন অখালাসকৃত অবস্থায় বন্দরে পড়ে থাকে।

উক্ত জটিলতা নিরসনকল্পে নিম্নোক্ত ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য আপনাদেরকে পরামর্শ দেয়া যাচ্ছে:

– এলসিতে আমদানিকৃত পণ্যের নাম, বিবরণ, পরিমাণ, এইচএসকোড এবং মূল্য সম্পর্কে সুস্পষ্ট বর্ণনা থাকতে হবে।

– UCP-600 এর Article 4(b) অনুযায়ী, প্রোফর্মা ইনভয়েস/চুক্তির সূত্র এলসিতে উল্লেখ করাকে নিরুৎসাহিত করা হলেও যৌক্তিক কারনে যদি এলসিতে সূত্র উল্লেখ করতে হয় সেক্ষেত্রে পণ্য খালাসের নিমিত্তে shipping document এর পাশাপাশি প্রোফর্মা ইনভয়েস প্রত্যয়ন করতে হবে।

– আমদানিকারকগণ যাতে যথাসময়ে পণ্য খালাস এবং ব্যাংকের অর্থায়ন দ্রুত ও যথাসময়ে পরিশোধ নিশ্চিত করে সেজন্য করণীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।

অনুগ্রহপূর্বক বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সকলকে অবহিত করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *