PRECAUTIONARY MEASURES TO ENSURE SAFETY OF THE BANK BRANCH. REF: BRPD CIRCULAR NO. 07 DATED 05.07.2015.

ব্যাংকের শাখাসমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে বাংলাদেশ ব্যাংক কতৃর্ক বিভিন্ন সময়ে BRPD CIRCULAR LETTER NO. 03 DATED 25.03.2012, BRPD CIRCULAR LETTER NO. 03 DATED 27.01.2014, BRPD CIRCULAR LETTER NO. 18 DATED 17.11.2014, BRPD CIRCULAR LETTER NO. 19 DATED 18.12.2014 ও BRPD CIRCULAR LETTER NO. 06 DATED 22.04.2015 জারী করা হয়েছে। উক্ত নির্দেশনাসমূহ সংযোজন, পরিবর্ধন ও পরিমার্জনপূর্বক সমন্বিত আকারে এই সার্কুলার জারী করা হলোঃ-

 (১) ব্যাংক স্থাপনার অধিকতর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ব্যাংক শাখার প্রবেশ পথে, শাখার অভ্যন্তরে, শাখার বাহিরে চতুর্দিকে এবং সকল ধরনের আইটি রুম (IT Room) এ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সিসিটিভি/আইপি ক্যামেরা/স্পাই ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে যেগুলো ব্যাংকের সেন্ট্রাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত থাকবে। সিসিটিভিগুলো যেন সার্বক্ষনিক সচল থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে। সিসিটিভি অপারেশনের জন্য Access Control System চালু করতে হবে। Access Authorization কোন ক্রমেই ডেলিগেট করা যাবে না। নির্ধারিত কর্মকর্তার অনুপস্থিতিকালে যথাযথ কতৃর্পক্ষের অনুমোদনক্রমে সমমানের অথবা তদূর্ধ্ব পদের কর্মকর্তাকে Access Control এর দায়িত্ব দিতে হবে। সিসিটিভির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। ব্যাংক স্থাপনায় ধারণকৃত সকল সিসিটিভি ভিডিও ফুটেজ ধারণের সময় হতে নূ্যনতম এক বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে হবে।

(২) ব্যাংকের সকল শাখায় পর্যায়ক্রমে এন্টি থেফট এলার্ম (Anti Theft Alarm) স্থাপন করতে হবে।

(৩) ব্যাংক ভল্টের নিরাপত্তার বিষয়টি অধিকতর শক্তিশালী ও মজবুত করার নিম্নোক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবেঃ

ক) কাঠামোগত নিরাপত্তাঃ রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকসমূহ তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও ভল্ট রুমের ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীনে গঠিত উচ্চ পর্যায়ের কমিটি কতৃর্ক দাখিলকৃত প্রতিবেদন (যা উক্ত ব্যাংকসমূহের নিকট ডিসেম্বর ২৩, ২০১৪ তারিখে প্রেরিত) অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। অন্যান্য ব্যাংকসমূহ তাদের ভল্ট স্পেস বিশেষভাবে সুরক্ষিত করার তাদের পরিচালনা পর্ষদ কতৃর্ক অনুমোদিত নীতিমালার আওতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। মেঝে ও ছাদসহ ভল্টের চারপাশের নির্মিত দেয়ালের অবকাঠামোগত নিরাপত্তার বিষয়টি পুর প্রকৌশলী কতৃর্ক প্রত্যায়িত হতে হবে।

খ) প্রযুক্তিগত নিরাপত্তাঃ ভল্টে সিকিউরিটি অ্যালার্মের সার্বক্ষণিক ব্যবস্থা রাখতে হবে। ভল্টের সিকিউরিটি সিস্টেমের সাথে ব্যাংকের সেন্ট্রাল ইনফরমেশন সিস্টেমের নিরবিচ্ছিন্নভাবে সংযোগের ব্যবস্থা রাখতে হবে। ভল্টের অভ্যন্তরে অটোমেটেড ফায়ার এক্সটিংগুইশার স্থাপন করতে হবে।

গ) ভল্টে নগদ অর্থ সংরক্ষণ সীমাঃ ভল্টে সীমাতিরিক্ত নগদ অর্থ যেন সংরক্ষণ করা না হয় সে বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে।

ঘ) বীমা নিরাপত্তাঃ রাষ্ট্র মালিকানাধীন সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংককে তাদের ভল্টে রক্ষিত অর্থের উপর অনাকাঙ্খিত ঝুঁকি মোকাবেলার জন্য পৃথকভাবে তহবিল গঠন করতে হবে এবং অন্যান্য ব্যাংককে তাদের ভল্টে রক্ষিত সকল অর্থের পূর্ণ বীমা আচ্ছাদন নিশ্চিত করতে হবে।

(৪) ব্যাংকের নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োগের পূর্বে তার/তাদের ব্যাপারে যথাযথ সকল তথ্য সংগ্রহপূর্বক সংরক্ষণ করতে হবে।

(৫) সংশ্লিষ্ট কতৃর্পক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে নিরাপত্তার জন্য অধিক সংখ্যক সশস্ত্র নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োজিত করতে হবে।

(৬) ব্যাংকের নিরাপত্তায় নিয়োজিত সশস্ত্র নিরাপত্তা প্রহরীদের অস্ত্র চালানোর পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণদানের ব্যবস্থা করতে হবে।

(৭) ব্যাংক স্থাপনায় চুরি, ডাকাতিসহ যে কোন ধরনের অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি মোকাবেলা ও প্রতিরোধের জন্য ত্বরিৎ পদক্ষেপ হিসেবে প্রতিটি ব্যাংক শাখায় Auto Alarm Systems চালু করতে হবে। উক্ত সিস্টেমস এ

সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়, নিকটবর্তী থানা ও র‌্যাব অফিসসহ অন্যান্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ নাম্বারে (হটলাইন) সংযোগ থাকতে হবে।

(৮) ব্যাংক শাখার চারপাশে বসবাসকারী বাসিন্দাদের/অবস্থানকারীদের তথ্য সংগ্রহ করে তা সংশ্লিষ্ট শাখায় সংরক্ষণ করতে হবে এবং তাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার মাধ্যমে সামাজিক সম্পর্ক জোরদার করতে

হবে।

(৯) সরকারী ও সাপ্তাহিক ছুূটির দিনে এবং ব্যাংকের দৈনন্দিন কার্যক্রম শেষ হবার পর রাত্রিকালীন সময়ে আকস্মিক ভিত্তিতে সুনির্দিষ্ট কর্মকর্তা ব্যাংক শাখা পরিদর্শন করবেন।

আপনাদের ব্যাংকের সকল শাখাসমূহে উপরোক্ত নির্দেশনাসমূহ অনুসরণ ও তা নিশ্চিত করার জন্য পরামর্শ দেয়া হলো।

অনুগ্রহপূর্বক প্রাপ্তি স্বীকার করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *