INSTRUCTIONS FOR EXCHANGE AND TRANSACTIONS OF METALLIC COINS FOR THE CUSTOMERS AND THE MEMBERS OF PUBLIC THROUGH THE BRANCHES OF SCHEDULED BANKS. REF: DCM CIRCULAR LETTER NO. 01 DATED 04.06.2014.

শীর্ষোক্ত বিষয়ে অত্র বিভাগের ২৪.০৩.২০১১ তারিখের ইহিশাঃ২৩(পলিসি)/২০১১-০১ নম্বর পরিপত্রের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে ।

উক্ত পরিপত্রের মাধ্যমে জনসাধারণের দৈনন্দিন লেনদেনের প্রয়োজনে সব ধরণের কাগুজে নোটের পাশাপাশি ১, ২ ও ৫ টাকা মূল্যমানের ধাতব মুদ্রা সরবরাহ নিশ্চিতকরনের জন্য ব্যাংকসমূহকে নিম্নোবর্ণিত ব্যবস্থাদি আবশ্যিকভাবে পরিপালনের পরামর্শ দেয়া হয়েছিলঃ

ক) ব্যাংকসমূহ বাংলাদেশ ব্যাংকের যে কোন অফিস থেকে নগদ অর্থ উত্তোলনের সময় মোট উত্তোলিত নগদ অর্থের কমপক্ষে ০.১০% (শতকরা দশমিক এক শুন্য ভাগ) ১, ২ ও ৫ টাকা মূল্যমানের ধাতব মুদ্রায় উত্তোলন করবে;

খ) অত্র বিভাগের ১৫.১২.২০১০ তারিখের পরিপত্র নং ইপ্রশাঃ২৬-এ(পলিসি)/২০১০-৩৯৩ এর নির্দেশক্রমে ব্যাংকের প্রতিটি শাখায় নতুন/পূনঃপ্রচলনযোগ্য নোট যোগান ও বিনিময়ের জন্য স্থাপিত ‘পৃথক কাউন্টার’ এর মাধ্যমে ১, ২ ও ৫ টাকার ধাতব মুদ্রাও ব্যাংকসমূহ গ্রাহক/সর্ব সাধারণের মধ্যে বিতরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে ।

কিন্তু সম্প্রতি অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে যে, প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনসাধারণ ব্যাংক শাখা হতে প্রয়োজন মাফিক ধাতব মুদ্রার সরবরাহ পাচ্ছে না । বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শনেও তফসিলী ব্যাংকের অনেক শাখায় ধাতব মুদ্রার মজুদ শুন্য পাওয়া গেছে । এতদ্ব্যতীত, তফসিলী ব্যাংকের অনেক শাখায় গ্রাহকদের নিকট হতে ছোট মূল্যমানের (২ ও ৫ টাকা) নোট গ্রহণ করা হচ্ছে না মর্মেও অভিযোগ রয়েছে । ফলে, গ্রাহক/জনগণ ভোগান্তির শিকার হচ্ছে যা অভিপ্রেত নয়।

জনসাধারণের দৈনন্দিন প্রয়োজনে খুচরা ধাতব মুদ্রার সুষ্ঠু সরবরাহ নিশ্চিতকরণের বর্ণিত পরিপত্রের নির্দেশনা যথাযথভাবে পরিপালন এবং সে সাথে সকল তফসিলী ব্যাংকের প্রতিটি শাখায় অবিলম্বে পর্যাপ্ত পরিমানে ১, ২ ও ৫ টাকা মূল্যমানের ধাতব মুদ্রা সংরক্ষণের পাশাপাশি গ্রাহকদের নিকট হতে মূল্যমান নির্বিশেষে সকল নোট গ্রহণ করার জন্যও নির্দেশ প্রদান করা হলো ।

এ নির্দেশ অমান্যকারী ব্যাংকের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *