FORMATION OF REFINANCE FUND TO SUPPORT ISLAMIC SHARIAH-BASED FINANCING TO ”RENEWABLE ENERGY & ENVIRONMENT FRIENDLY FINANCEABLE SECTORS”. REF: GBCSRD CIRCULAR NO. 06 DATED 12.10.2014.

পরিবেশ বান্ধব কার্যক্রমের আওতায় গ্রিন ফাইন্যান্সিং বা সবুজ অর্থায়নের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব অর্থনীতি গড়ে তোলার বাংলাদেশ ব্যাংক হতে কনভেনশনাল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। অর্থনৈতিক এ কর্মকান্ডে শরিয়াহ ভিত্তিতে পরিচালিত ইসলামী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধিকল্পে ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের BRPD CIRCULAR NO. 13 DATED 18.09.2014 এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করা হয়েছে। উক্ত তহবিল হতে ইসলামিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে গ্রিন ব্যাংকিং এন্ড সিএসআর ডিপার্টমেন্ট কর্তৃক পরিচালিত ‘‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও পরিবেশবান্ধব অর্থায়নযোগ্য খাতে পুনঃঅর্থায়ন (Refinance)স্কিম’’ এ চিহ্নিত প্রোডাক্ট সমূহে শরিয়াহ্ ভিত্তিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে তহবিল সরবরাহের জন্য নিম্নবর্ণিত শর্তাবলী অনুসরণীয়ঃ

১। তহবিলের আওতাঃ

GBCSRD CIRCULAR NO. 02 DATED 01.07.2013, GBCSRD CIRCULAR LETTER NO. 01 DATED 20.05.2014 এবং GBCSRD CIRCULAR LETTER NO. 02 DATED 19.08.2014 এর মাধ্যমে তালিকাভুক্ত/বিদ্যমান মোট ৪৭ টি গ্রিন প্রোডাক্ট এবং সময়ে সময়ে চিহ্নিতব্য গ্রিন প্রোডাক্ট সমূহে বিনিয়োগ উক্ত তহবিলের আওতায় পুনঃঅর্থায়নযোগ্য হবে;

২। তহবিল হতে সহায়তা গ্রহণের যোগ্যতা ও প্রক্রিয়াঃ

(ক) তহবিল সহায়তা গ্রহণে আগ্রহী ইসলামী শরিয়াহ্ ভিত্তিক পরিচালিত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে মহাব্যবস্থাপক, গ্রিন ব্যাংকিং এন্ড সিএসআর ডিপার্টমেন্ট, বাংলাদেশ ব্যাংক, প্রধান কার্যালয়ের সাথে একটি অংশগ্রহণ চুক্তি (PARTICIPATION AGREEMENT) সম্পাদন করতে হবে;

(খ) এ তহবিলের আওতায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ {PARTICIPATING FINANCIAL INSTITUTION (PFI)} কর্তৃক গৃহীত পুনঃঅর্থায়ন যোগানের উপর সংশ্লিষ্ট অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের মুদারাবা সঞ্চয়ী হিসাবে বিদ্যমান মুনাফার হার অথবা সময়ে সময়ে বিদ্যমান ব্যাংক হারের মধ্যে যেটি কম সে হারে মুনাফা/মার্কআপ প্রদেয় হবে;

(গ) পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা প্রাপ্তিতে আগ্রহী সকল অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানকে নিম্নোক্ত শর্তাবলী যথাযথভাবে পূরণ করতে হবে:

১। শ্রেণিবিন্যাসিত বিনিয়োগের হার ১০% এর নিচে থাকতে হবে;

২। বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত হারে মূলধন পর্যাপ্ততা থাকতে হবে;

৩। একক গ্রাহক বা গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে বিনিয়োগ সুবিধার সর্বোচ্চ সীমা (SINGLE BORROWER EXPOSER LIMIT) সংক্রান্ত নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে;

৪। যথাযথ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা (RISK MANAGEMENT) ও অর্থ পাচার (MONEY LAUNDERING) প্রতিরোধ সংক্রন্ত বিধি-বিধানের পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে।

(ঘ) PFI সমূহ তাদের বিনিয়োগ অনুমোদনের কপি, গ্রাহক কর্তৃক প্রদত্ত ACCEPTANCE LETTER ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ অনুমোদিত বিনিয়োগের বিপরীতে তহবিল সহায়তার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করবে। প্রতি মাস শেষে পরবর্তী ১৫(পনের) দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে পুনঃঅর্থায়ন বরাদ্দের জন্য আবেদন দাখিল করতে হবে। তবে শর্ত থাকে যে, পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদনের তারিখ থেকে ৬০(ষাট) দিন পূর্বে প্রদত্ত বিনিয়োগ পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা বরাদ্দের জন্য বিবেচিত হবে না।

(ঙ) ফেরত সূচি অনুযায়ী পুনঃঅর্থায়নকৃত অংকের উপর স্ব স্ব ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ‘‘মুদারাবা সঞ্চয়ী হিসাবের বিদ্যমান মুনাফার হার অথবা পাঁচ (০৫) শতাংশ এর মধ্যে যেটি কম’’ সে হারে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে মুনাফাসহ আসলের কিস্তি মতিঝিল অফিসে রক্ষিত স্ব স্ব PFI এর চলতি হিসাব হতে আদায় করে নেয়া হবে।

(চ) আলোচ্য তহবিল হতে সহায়তা গ্রহণের ক্ষেত্রে PFI সমূহকে তহবিল সহায়তা গ্রহণের প্রাক্কালে প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনা পরিচালক/প্রধান নির্বাহী কর্তৃক স্বাক্ষরিত DEMAND PROMISSORY NOTE (DP NOTE) প্রদান করতে হবে।

(ছ) এ তহবিলের আওতায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহকে ত্রৈমাসিকভিত্তিতে পুনঃঅর্থায়ন প্রদান করা হবে যা সচল ও অশ্রেণিকৃত থাকা সাপেক্ষে মূল অর্থায়নের বিনিয়োগকাল পর্যন্ত সময়ে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে মুনাফাসহ পরিশোধ ও বিনিয়োগের অশ্রেণিকৃত আসল স্থিতি পুনঃউত্তোলনযোগ্য হবে।

৩। তহবিল বিনিয়োগের ঋণ সীমা, মুনাফার হার, মেয়াদ ও গ্রেস পিরিয়ডঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *