FORMATION AND MANAGEMENT PROCEDURE OF CLIMATE RISK FUND. REF: GBCSRD CIRCULAR NO. 04 DATED 09.07.2015.

BRPD CIRCULAR NO. 02 DATED 27.02.2011; GBCSRD CIRCULAR NO. 04 DATED 11.08.2013 ও GBCSRD CIRCULAR LETTER NO. 05 DATED 11.09.2013 এর মাধ্যমে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের বরাবরে পরিবেশবান্ধব ব্যাংকিং নীতিমালা জারি করা হয়েছে। উল্লিখিত সাকুর্লার ও সাকুর্লার লেটারসমূহের অনুচ্ছেদ ১.৫ অনুসারে সকল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে ‘জলবায়ু ঝুঁকি তহবিল’ গঠন করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

পরিবেশবান্ধব ব্যাংকিং বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতায় পরিলক্ষিত হয়েছে যে, জলবায়ু ঝুঁকি তহবিলের গঠন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট হতে অধিকতর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রয়োজন। তারই প্রেক্ষিতে, জলবায়ু ঝুঁকি তহবিলের গঠন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ নিম্নোক্ত নির্দেশনা অনুসরণ করবেঃ

১। পরিবেশবান্ধব ব্যাংকিংয়ের আওতায় ও কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে পরিবেশ পরিস্থিতি অবনমন ও দূষণ রোধ, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রশমন ও অভিযোজন, কার্বন নির্গমনের হার হ্রাস, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (প্রতিরোধ ও পুনর্বাসন) সংক্রান্ত কার্যক্রমে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে কার্যরত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ ‘জলবায়ু ঝুঁকি তহবিল’ গঠন করবে।

২। উক্ত তহবিল হতে অনুদান প্রদান অথবা হ্রাসকৃত সুদে অর্থায়ন- দু’ভাবেই অর্থ ব্যয় করা যাবে।

৩। এ তহবিল হতে পরিবেশ, জলবায়ু ও দুর্যোগ সংক্রান্ত যে কোন Event ও প্রকল্পে অর্থ ব্যয় করা যাবে। এক্ষেত্রে, স্বল্পমেয়াদী প্রভাবসম্পন্ন কার্যক্রমসমূহ Event হিসেবে এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবসম্পন্ন কার্যক্রমসমূহ প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হবে।

উদাহরণস্বরূপ- পরিবেশ, জলবায়ু ও দুর্যোগ বিষয়ে সচেতনতা/প্রচারনামূলক অনুষ্ঠান/ সভা/সেমিনার/র‌্যালী/ওয়ার্কশপ আয়োজন অথবা দুর্যোগ কবলিত এলাকায়/দুর্যোগ আক্রান্ত মানুষের নিকট ত্রাণসামগ্রী প্রেরণ Event হিসেবে বিবেচিত হবে। অপরদিকে, উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র/নদী ভাঙ্গনে বঁাধ নির্মাণ অথবা পরিবেশ ঝুঁকি রোধে গবেষণা কার্য প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হবে।

৪। জলবায়ু ঝুঁকি তহবিল হতে হ্রাসকৃত সুদে অর্থায়নের ক্ষেত্রে যেসকল অর্থায়নের সুদহার সংশ্লিষ্ট ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের তহবিল ব্যয়ের ভারিত গড়ের (Weighted Average Cost of Fund) চেয়ে কম হবে, শুধুমাত্র সেসকল অর্থায়নের হ্রাসকৃত সুদ জলবায়ু ঝুঁকি তহবিল হতে ব্যয় করা যাবে। উল্লেখ্য, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের শুধুমাত্র নিজস্ব উৎস হতে হ্রাসকৃত সুদে অর্থায়নের ক্ষেত্রেই এ তহবিলের ব্যবহার প্রযোজ্য হবে। অর্থ্যাৎ, বাংলাদেশ ব্যাংক হতে পুনঃঅর্থায়ন সুবিধাপ্রাপ্ত অথবা সরকারী/আন্তর্জাতিক কোন উৎস হতে প্রাপ্ত তহবিল দ্বারা অর্থায়ন এক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

উদাহরণস্বরূপ- কোন ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের তহবিল ব্যয়ের ভারিত গড় ১০% এবং ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান পরিবেশ ঝুঁকি প্রশমনজনিত কোন প্রকল্পে ৮% সুদহারে অর্থায়ন করেছে। এক্ষেত্রে, হ্রাসকৃত সুদ অর্থ্যাৎ ১০%-৮%=২% সুদের পরিমাণ ‘জলবায়ু ঝুঁকি তহবিল’ হতে ব্যয় করা যাবে।

৫। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ তাদের বার্ষিক কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা বাজেটের নূ্যনতম ১০% জলবায়ু ঝুঁকি তহবিল হিসেবে বরাদ্দ রাখবে এবং জলবায়ু ঝুঁকি তহবিল হতে ব্যয় কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা খাতে হিসাবায়ন করবে।

৬। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ তাদের জলবায়ু ঝুঁকি তহবিল হতে ব্যয় বাংলাদেশ ব্যাংকে ষান্মাসিক ভিত্তিতে দাখিলব্য Statement on Corporate Social Responsibility Initiatives এর ঈ.১.৩, ঈ.১.৪, ঈ.২.৩, ঈ.২.৪ ও ঈ.৩.৩ নং ক্রমিকে এবং ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে দাখিলব্য Statement on Green Banking এর ১.৫ নং ক্রমিকে উল্লেখ করবে।

এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অনুগ্রহপূর্বক প্রাপ্তি স্বীকার করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *