DISBURSEMENT OF AGRICULTURAL/RURAL CREDIT. REF: ACSPD CIRCULAR NO. 10 DATED 29.09.2008.

সাম্প্রতিককালে নানাবিধ কারণে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় কৃষি পণ্যের সরবরাহ হ্রাস পেয়েছে। দেশকে খাদ্য ঘাটতির মোকাবিলা করতে হচ্ছে। প্রয়োজনের তুলনায় কৃষি উৎপাদন কম হওয়ায় কৃষিপণ্যের আমদানি নির্ভরতা ক্রমশঃ বাড়ছে। খাদ্য ঘাটতি হ্রাস করতে অভ্যন্তরীন কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির বিকল্প নাই। কৃষি উৎপাদন কাঙ্খিত লক্ষ্যমাত্রায় আনার জন্য কৃষি খাতে ঋণ/অগ্রিম কৃষকগণকে উন্নত বীজ, সার ইত্যাদি সংগ্রহের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধিতে সরাসরি ভ’মিকা রাখে। এমতাবস্থায়, ঋণ/অগ্রিম বিতরণ বৃদ্ধি করে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে নিম্নরূপ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছেঃ

ক) বেসরকারী ও বিদেশী ব্যাংকসহ বাংলাদেশে কার্যরত সকল তফসিলী ব্যাংককে কৃষি খাতে ঋণ বিতরণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে হবে।

খ) প্রত্যেক ব্যাংক তাদের মোট ঋণ পোর্টফলিওর একটি অংশ কৃষিঋণ বিতরণের জন্য লক্ষ্যমাত্রা স্থির করবে। প্রতি অর্থবছরের শুরুতে এই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করতে হবে এবং বাংলাদেশ ব্যাংককে অবহিত করবে। লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবভিত্তিক হতে হবে এবং ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রা পুরোপুরি অর্জন নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পক্ষ থেকে নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে।

গ) চলতি অর্থবছরের (২০০৮-২০০৯) জন্য যে সকল ব্যাংক কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেনি সে সকল ব্যাংক অবিলম্বে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে বাংলাদেশ ব্যাংকে অবহিত করবে।

ঘ) ব্যাংক নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট বাস্তব ভিত্তিক প্রতিয়মান না হলে সেক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা পুনঃনির্ধারণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশ প্রদান করবে।

ঙ) অঞ্চলভিত্তিক ফসল উৎপাদন, ফসলের ধরণ অর্থাৎ যে এলাকায় যে ফসল ভাল উৎপাদন হয় সেগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে Area approach পদ্ধতিতে বাস্তবভিত্তিক কৃষি ঋণ বিতরণ করতে হবে। যে সকল এলাকায় পর্যাপ্ত শাক-সবজি, পিঁয়াজ, আদা, রসুন, ডালজাতীয় শস্য, পান-বরজ, মরিচ, আলু ইত্যাদি ফসল উৎপাদন হয়, সে সকল এলাকায় সকল ফসলের জন্য পর্যাপ্ত ঋণ বিতরণ করতে হবে। এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে এলাকা নির্ধারণ ও প্রকৃত কৃষকদেও তালিকা সংগ্রহপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। Area approach পদ্ধতিতে যে সব এলাকায় মৎস চাষের সুযোগ আছে সেখানে প্রকৃত মৎসজীবীকে পর্যাপ্ত ঋণ বিতরণ করতে হবে। এ বিষয়ে মৎস অধিদপ্তরের স্থানীয় কার্যালয়-এর সহযোগিতা নেয়া যেতে পারে।

চ) যে সকল ব্যাংকের পল্লী অঞ্চলে শাখা নেই অথবা যাদের শাখার সংখ্যা পর্যাপ্ত নয়, তারা কৃষিঋণ বিতরণে NGO-linkage ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষিখাতে ঋণ বিতরণ করবে। তবে বিতরণকৃত ঋণ কৃষিখাতে সদ্ব্যবহার করা হচ্ছে কিনা তা ব্যংকগুলো নিশ্চিত হবে।

ছ) উপরোক্ত সিদ্ধান্তসমূহ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

অনুগ্রহপূর্বক প্রাপ্তি স্বীকার করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *