AGRICULTURAL CREDIT DISBURSEMENT THROUGH AGENT BOOTH. REF: ACD CIRCULAR NO. 02 DATED 31.07.2016.

আপনারা অবগত আছেন যে, বিগত ০৯ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক এজেন্ট ব্যাংকিং গাইডলাইন্স প্রবর্তন করা হয়েছে। অন্যান্য ব্যাংকিং সুবিধা প্রদানের পাশাপাশি দেশের সর্বত্র কৃষি ঋণ কার্যক্রম অধিকতর সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবস্থা সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। সে প্রেক্ষিতে, যে সকল বাণিজ্যিক ব্যাংকে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু আছে এবং যে সকল বাণিজ্যিক ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম গ্রহণ করতে ইচ্ছুক সে সকল ব্যাংক চলমান কৃষি ঋণ বিতরণ পদ্ধতির পাশাপাশি এজেন্ট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবে।

এক্ষেত্রে, ব্যাংকসমূহকে নি¤œরূপ কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবেঃ

ক) বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক প্রণীত “গাইডলাইন্স অন এজেন্ট ব্যাংকিং ফর দা ব্যাংকস”-এ বর্ণিত নীতিমালা অনুসারে এবং বাংলাদেশ ব্যাংক হতে এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রমের অনুমতিপ্রাপ্ত ব্যাংকসমূহ এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবস্থায় কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণ করতে পারবে। এক্ষেত্রে, এজেন্ট বুথের মাধ্যমে ঋণের আবেদনপত্র গ্রহণ, প্রাথমিকভাবে যাচাইবাছাইকরণ, কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণ এবং ঋণগ্রহীতার নিকট থেকে ঋণের কিস্তি আদায় করা যাবে। তবে, ঋণের আবেদন প্রক্রিয়াকরণ, ঋণ মঞ্জুরি এবং ঋণের প্রয়োজনীয় তদারকি ব্যাংক কর্তৃক সম্পন্ন করতে হবে।

খ) বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচির আওতাভূক্ত খাত/উপখাতসমূহে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণ করা যাবে। এক্ষেত্রে, এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণসহ সামগ্রিকভাবে ব্যাংকের বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার ৬০ শতাংশ শস্য/ফসল খাতে বিতরণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকল ব্যাংককে সচেষ্ট থাকতে হবে।

গ) এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে প্রতি অর্থবছরের শুরুতে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জারীকৃত কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচিতে উল্লিখিত ঋণ নিয়মাচার এবং অন্যান্য নীতিমালা প্রযোজ্য হবে।

ঘ) এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবস্থায় কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচির আলোকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত সুদহারের সর্বোচ্চ সীমা প্রযোজ্য হবে। ঋণ বিতরণে বাৎসরিক ভিত্তিতে অথবা ঋণের মেয়াদান্তে (যে সকল ঋণের মেয়াদ ১২ মাসের অধিক নয়) এবং কিস্তিতে আদায়ের ক্ষেত্রে ক্রমহ্রাসমান হার পদ্ধতিতে সুদ আরোপ করা যেতে পারে।

ঙ) এজেন্টদের কমিশন বা সার্ভিস চার্জ বাবদ গ্রাহকের নিকট হতে নির্ধারিত সুদহারের অতিরিক্ত সর্বোচ্চ ০.৫০% সার্ভিস চার্জ (ভ্যাট সহ) আদায় করা যাবে। এছাড়া, কোন উপায়ে গ্রাহকের নিকট হতে উক্ত সার্ভিস চার্জ ব্যতীত অন্য কোনরূপ ফি/চার্জ আদায় করা যাবে না এবং এই সার্ভিস চার্জ ব্যাংক কর্তৃক কর্তনের মাধ্যমে এজেন্টের হিসাবে প্রদান করতে হবে অর্থাৎ এজেন্ট সরাসরি ঋণগ্রহীতার নিকট থেকে কোন সার্ভিস চার্জ আদায় করতে পারবে না।

চ) ঋণ গ্রহীতা কৃষক/ গ্রাহকগণের প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী ও হিসাব বিবরণী সংশ্লিষ্ট এজেন্ট ও ব্যাংক কর্তৃক সংরক্ষণ করতে হবে এবং চাহিদামত সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে তা বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রেরণ করতে হবে।

ছ) এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবস্থায় কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণের বিবরণী ক্সত্রমাসিক ভিত্তিতে “পরিশিষ্ট-ক” (কপি সংযুক্ত) মোতাবেক প্রতি ক্সত্রমাসের তথ্যাদি পরবর্তী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি ঋণ বিভাগে দাখিল করতে হবে।

জ) বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক যে কোন সময় ব্যাংকসমূহের এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবস্থায় কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণ কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঝ) কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণকারী সংশ্লিষ্ট ব্যাংককেই এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবস্থায় কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণের ক্ষেত্রে প্রকৃত কৃষক পর্যায়ে ঋণ পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক জারীকৃত কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচি অনুসারে এবং কৃষক পর্যায়ে ঋণ বিতরণ হবার পরই কেবলমাত্র তা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট বিবেচিত হবে।

এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

Source: https://www.bb.org.bd/mediaroom/circulars/acd/jul312016acd01.pdf

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *